মহেশখালী জেটিতে নির্মিত হচ্ছে পানের ভাস্কর্য ও বিশ্রামাগার

মহেশখালী প্রতিনিধি | রবিবার , ৩০ এপ্রিল, ২০২৩ at ৭:১৬ পূর্বাহ্ণ

মিষ্টি পানের জন্য বিখ্যাত দেশের একমাত্র পাহাড় সমৃদ্ধ পর্যটন সম্ভাবনাময় দ্বীপ উপজেলা মহেশখালী। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কক্সবাজার জেলা শহর থেকে মহেশখালী দ্বীপে যাতায়াতের দক্ষিণ প্রবেশদ্বার মহেশখালী জেটির গোল চত্বরের পাশেই গড়ে তোলা হচ্ছে পানের ভাস্কর্য ও বহুমুখী সুযোগসুবিধা সম্বলিত বিশ্রামাগার। কঙবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বাস্তবায়ন করছে এ প্রকল্প।

গত শুক্রবার কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর (অব.) নুরুল আবছার এ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। প্রকল্পটির পাশ্ববর্তী প্রস্তাবিত শেখ হাসিনা স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মহেশখালীকুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক।

তিনি বলেন, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ জেলাবাসীর জন্য প্রধানমন্ত্রীর একটি উপহার। দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে বিভাগীয় শহর ছাড়া একমাত্র কঙবাজার জেলায় দেওয়া হয়েছে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। এতে জেলার উন্নয়ন আরো তরান্বিত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী না চাইতেই কক্সবাজারবাসীর জন্য সবকিছু দেন। যার ফলে মহেশখালীসহ কঙবাজার জেলায় অসংখ্য মেগা প্রকল্প তিনি বাস্তবায়ন করছেন। প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতার কারণে লবণ আমদানি নিষিদ্ধ করেছেন। যার ফলে লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হয়েছে।

এমপি আশেক বলেন, অচিরেই কঙবাজারমহেশখালী ফেরিঘাট চালু হবে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জরীপ পরিচালনা করেছেন। এছাড়া কঙবাজারমহেশখালী সেতু নির্মাণের বিষয়টিও প্রধানমন্ত্রীর নজরে রয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে কঙবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর (অব.) নুরুল আবছার বলেন, মিষ্টি পানের জন্য মহেশখালী উপজেলা বিখ্যাত। তাই পর্যটকদের জন্য আকর্ষণ বাড়াতে বিশ্রামাগারের পাশাপাশি একটি পান ভাস্কর্য স্থাপিত হবে। বিশ্রামাগারে বসার ব্যবস্থা ছাড়াও নারী পুরুষের জন্য পৃথক ওয়াশ ব্লক থাকবে। একই সাথে থাকবে নামাজ পড়ার পৃথক স্থান। পাশেই থাকবে একাধিক ফুডকর্নার ও রেস্টুরেন্টসহ পর্যটকদের কেনাকাটার ব্যবস্থা। এই প্রকল্পের জন্য প্রাথমিকভাবে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি টাকা। পর্যায়ক্রমে তা ২ কোটি টাকায় উন্নীত হবে। তিনি বলেন, মহেশখালীতে একটি ইকোটুরিজম গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের। ইতোমধ্যে জেলাব্যাপী উন্নয়নের জন্য মাস্টার প্ল্যান করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ধর্মবিষয়ক সম্পাদক এড. সিরাজুল মোস্তফা। আরো উপস্থিত ছিলেন মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা মো. ইয়াছিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার পাশা চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি এম আজিজুর রহমান, কঙবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল) লে. কর্নেল খিজির খান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি এস এম মুজিবুল হক।

পূর্ববর্তী নিবন্ধ২৯ এপ্রিলের ঘূর্ণিঝড় নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনী
পরবর্তী নিবন্ধপার্বত্য চট্টগ্রামে শিক্ষক সংকট নিরসনে উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার