মধুবনের হালিম থেকে মিনি জিলাপি দামে স্বাদে ক্রেতাদের আগ্রহ

আজাদী প্রতিবেদন | রবিবার , ১ মার্চ, ২০২৬ at ১০:৫২ পূর্বাহ্ণ

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে বৈচিত্র্যময় ইফতার সামগ্রী নিয়ে বাজারে এসেছে দেশের পরিচিত মিষ্টান্ন প্রতিষ্ঠান ‘মধুবন সুইটস লিমিটেড’। ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির পাশাপাশি আধুনিক ফাস্টফুড আইটেম যুক্ত করে সাজানো হয়েছে তাদের ইফতার পসরা। হালিম, মিনি জিলাপি, চিকেন শর্মা ও বিভিন্ন ধরনের স্ন্যাকস আইটেম ঘিরে ইতোমধ্যে ক্রেতাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বাড়তি আগ্রহ। খাবারের মান ও আস্থা থাকায় ক্রেতারাও ভিড় জমিয়েছেন মধুবনের আউটলেটগুলোতে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রমজানজুড়ে প্রতিদিন বিকেল থেকেই আউটলেটগুলোতে ইফতারপ্রেমীদের ভিড় বাড়ছে। বিশেষ করে চিকেন ও মাটন হালিম, মিনি জিলাপি এবং চিকেনভিত্তিক বিভিন্ন আইটেমের চাহিদা বেশি। নগরীর গোলপাহাড় মোড় আউটলেটে গেলে এমন দৃশ্য দেখা যায়।

মূল্যতালিকা অনুযায়ী, চিকেন হালিম প্রতি কেজি ৭০০ টাকা এবং মাটন হালিম ৮০০ টাকা। মিনি জিলাপি কেজি ৩২০ টাকা। চিকেন শর্মা ১০০ টাকা, স্লাইস পিজা ৮০ টাকা, চিকেন পেটিস ৭০ টাকা, ভেজিটেবল পেটিস ৫০ টাকা এবং পপ পেটিস ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া চিকেন কাবাব ৪০ টাকা, শামী কাবাব ৫০ টাকা, চিকেন কাটলেট ৪০ টাকা, ডিম চপ ৩০ টাকা, চিকেন স্টিক ও চিকেন বল ৫০ টাকা করে। চিকেন রোল ৫০ টাকা, অনিয়ন রোল ৭০ টাকা, লংব্রেড ৮০ টাকা, চিকেন স্যান্ডউইচ ৭০ টাকা, চিকেন মিনি বার্গার ও চিকেন টুংগেল ৬০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। মিট বঙ (রেগুলার) ২৪০ টাকা। এছাড়া বড় ফুডিং ১২০ টাকা এবং কাপ ফুডিং ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

মধুবন সুইটস লিমিটেডের পরিচালক কাজী শিবলী বলেন, মিষ্টির জগতে ঐতিহ্য নিয়ে পথচলা শুরু করলেও এখন সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পণ্যে আধুনিকতার ছোঁয়া আনা হয়েছে। গুণগত মান বজায় রাখাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। তিনি বলেন, ক্রেতাদের আস্থাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। সেই আস্থা ধরে রাখতে মানের সঙ্গে কোনো আপস করি না।

ক্রেতারাও স্বাদ ও দামের কারণে সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন। নগরীর আমিরবাগ আবাসিক এলাকার ক্রেতা রেজাউল করিম জানান, পরিবারের জন্য প্রায়ই মধুবন থেকে ইফতার কেনেন তিনি। হালিম ও মিনি জিলাপির স্বাদ ভালো হওয়ায় প্রতি রমজানেই এখানেই আসেন।

আরেক ক্রেতা সাবিহা আক্তার জানান, এক জায়গায় এত বৈচিত্র্যের ইফতার পাওয়া যায় বলেই তিনি মধুবনকে বেছে নেন। বিশেষ করে চিকেন শর্মা ও বিভিন্ন স্ন্যাকস আইটেম তার সন্তানেরা পছন্দ করে।

প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানান, পুরো রমজানজুড়ে একই মান বজায় রেখে সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। ভবিষ্যতেও নতুন স্বাদ ও বৈচিত্র্য যোগ করে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণে কাজ করে যাবে মধুবন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধনিউমোনিয়ায় আক্রান্ত অর্থমন্ত্রী, হাসপাতালে ভর্তি
পরবর্তী নিবন্ধসংশোধিত ডিপিপি সওজ অধিদপ্তরে