সাতকানিয়ায় কেঁওচিয়ার ফোরকান আহমদ ড্রাইভারের লাশ কলা গাছের ভেলায় করে ভাসিয়ে দেয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা। তারা জানান, চারিদিকে বন্যার পানি থাকায় অসুস্থ হওয়ার পর ভেলায় করে বাড়ি থেকে কেরানীহাট–বান্দরবান সড়কের মনতলা এলাকায় তাকে আনা হয়। অথচ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার লাশ কলা গাছের ভেলায় করে ভাসিয়ে দেওয়ার ছবি ভাইরাল হয়েছে – যা দুঃখজনক বলে জানায় তার পরিবার।
ফোরকান আহমদ ড্রাইভারের বড় ছেলে হাফেজ মোঃ রাশেদুল ইসলাম জানান, মনতলা থেকে তার বাবাকে গাড়িতে কেরানীহাটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরে তার লাশ গাড়িতে করে দস্তিদার হাট এলাকায় তার ভাড়া বাসায় নেয়া হয়। সেখানে লাশের গোসল দেয়ার পর খাটিয়ায় করে দস্তিদার হাটে নেয়া হয়। তিনি আরো বলেন, মৃত্যুর পর বাবার লাশ তার ঘরে নিতে পারিনি এবং পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করতে পারিনি। ওই সময় আমাদের পারিবারিক কবরস্থানে বুক সমপরিমাণ পানি ছিল।এরপর জানাজা শেষে খাটিয়ায় করে নিয়ে গিয়ে ফকিরা মুড়া কবরস্থানে দাফন করা হয়।
কেঁওচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ডের সদস্য আবু তালেব জানান, কেঁওচিয়ার বক্সুর বাপের বাড়ির মৃত কালু মিয়ার ছেলে ফোরকান আহমদ ড্রাইভার গত শুক্রবার জুমার নামাজের পর বাড়িতে ছিলেন। এসময় বাড়ির পাশে রাখা গাছের একটি খুঁটি পানির স্রোতে ভেসে যাচ্ছিল। তখন ফোরকান আহমদ সাঁতার কেটে গিয়ে খুঁটিটি নিয়ে আসেন। এরপর ফোরকান অসুস্থ বোধ করে। সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মাহমুদুল হাসান বলেন, ভেলায় করে লাশ ভাসিয়ে দেয়া হয়েছে মর্মে প্রচার করাটা সত্যিই দুঃখজনক। অসুস্থবোধ করার পর ভেলায় করে ঘর থেকে মনতলায় আনার ছবিটি দিয়ে ফেসবুকে এবং কিছু পত্রিকায় ভুল তথ্য প্রচার করা হয়েছে।










