সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলমের অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত বেগম খালেদা জিয়া অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয় গতকাল সকালে উদ্বোধন করা হয়েছে। সাবেক মেয়র আলহাজ্ব এম. মনজুর আলমের অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত বেগম খালেদা জিয়া অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রথম দিনে চার শত জন ছাত্র–ছাত্রী নিয়ে উদ্বোধন হলো।
এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত এক সুধি সমাবেশে বেগম খালেদা জিয়া অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উদ্বোধক মোস্তফা হাকিম গ্রুপের পরিচালক, সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব মোঃ সরওয়ার আলম বলেন, আমাদের ফাউন্ডেশন ও ট্রাস্ট এবং আমাদের পিতা সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলমের উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর পাওয়ার সাথে সাথে বিপুলসংখ্যক আলেম ও হাফেজ দিয়ে ১০১ বার পবিত্র কোরআন শরীফ খতম দেয়ার পর তার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া করা হয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর তার কবরস্থানে হাফেজ দ্বারা ৪০ দিনব্যাপী খতমে কুরআনের আয়োজন করা হয়, যা চলমান আছে। চার দিনের মাথায় কুলখানি ও জিয়াফত করা হয়, পাঁচ দিনের মাথায় ফল কুলখানি অনুষ্ঠিত হয় এবং গরিব দুস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুর দশদিনের মাথায় তার নামে দাতব্য চিকিৎসালয় স্থাপন করা হয় এবং ১৩ দিনের মাথায় পটিয়ায় বেগম খালেদা জিয়া জামে মসজিদ ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়। আজ বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর ১৫ দিনের মাথায় আমরা বেগম খালেদা জিয়া অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করলাম। এ ধরনের উদ্যোগ বাংলাদেশে কেউ গ্রহণ করেছে কিনা আমাদের জানা নেই।
বেগম খালেদা জিয়া অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ছাত্র–ছাত্রীদের স্কুল ড্রেস প্রশিক্ষা সামগ্রী উপহার দেওয়া হয়। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন শিক্ষাবিদ মোহাম্মদ আলমগীর, বাদশা আলম, সমাজসেবক নেছার আহমদ, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাবেক নেতা সিরাজউদ্দীন, আকবর শাহ থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন, ১১নং ওয়ার্ড বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ শফি, মোঃ শফিউল আলম, মোহাম্মদ রফিক, বাবুল হক, বিএনপি নেতা নওশাদ আলী, সিরাজ উদ্দিন, যুবদলের নেতা নিজামুদ্দিন, বিএনপি নেতা মোঃ শাহজাহান, নাসির, জানে আলম প্রমুখ। শিক্ষার সামগ্রী ওই স্কুল ড্রেস ছাত্র–ছাত্রীদের হাতে তুলে দেন সাবেক মেয়র মোঃ মনজুর আলম ও সমাজসেবক সরোয়ার আলম। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।











