‘বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়ার পর থেকে ঘুমাতে পারেনি কুরাসাওবাসী’

স্পোর্টস ডেস্ক | সোমবার , ৮ জুন, ২০২৬ at ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ

আসন্ন ২০২৬ বিশ্বকাপে রূপকথার গল্পই তৈরি করতে যাচ্ছে দেড় লাখ জনসংখ্যার দেশ কুরাসাও। ফুটবলের ইতিহাসের সবচেয়ে ছোট দেশ হিসেবে তারা পা রেখেছে বিশ্বকাপের মূলমঞ্চে। বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জনের পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও পুরো দেশ যেন এখনও রয়েছে ঘোরের মধ্যেই। কুরাসাওয়ের ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক তারকা তাহিথ চং ফিফাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সেই উন্মাদনার কথাই শুনিয়েছেন। তিনি বলেন, বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করার পর থেকে কুরাসাও দ্বীপের মানুষ সম্ভবত এখনও ঘুমাতে পারেনি।’ কুরাসাও স্কোয়াডের একমাত্র ফুটবলার হিসেবে চংএর জন্ম এই দ্বীপেই। ছোটবেলায় নেদারল্যান্ডসে পাড়ি জমানোর পর ডাচদের যুব দলেও খেলেছেন তিনি। কিন্তু যখন জাতীয় দল বেছে নেওয়ার সময় এলো, চং বেছে নেন নিজের মাতৃভূমিকে। নিজের স্কুলজীবনের স্মৃতিচারণ করে চং বলেন, ‘আমরা যখন জাতীয় দলের জন্য কুরাসাওয়ে ক্যাম্প করি, সেই হোটেলটি ঠিক আমার ৬৭ বছর বয়সের স্কুলের উল্টোদিকে। সেখানেই আমার প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ শুরু। আমার ৯৬ বছর বয়সী দাদী, যিনি আমাকে সবসময় টিভিতে দেখতেন, তিনি প্রথমবার মাঠে এসে গ্যালারি থেকে আমার খেলা দেখেন। এর ঠিক দুই মাস পরই তিনি মারা যান। আমার ক্যারিয়ারের এটিই সবচেয়ে মধুরতম স্মৃতি।’ ছোটবেলায় ফুটবল খেলাটাকেই ঘৃণা করতেন জানিয়ে চং বলেন, ‘আমার বাবা কুরাসাওয়ে ফুটবল খেলতেন। তিনি আমাকে খেলা দেখতে ডাকলে আমি বলতামএটা একটা ফালতু খেলা, আমি ফুটবল পছন্দ করি না।’ চংএর বাবা এখনো বিশ্বাস করতে পারছেন না যে তার ছেলে দেশের নাম বুকে নিয়ে ফুটবল বিশ্বমঞ্চে নামবে। চং বলেন, ‘বাবা প্রতিবার ফোন করলেই বলেনবিশ্বাস হয়, কুরাসাও বিশ্বকাপে খেলবে!’

পূর্ববর্তী নিবন্ধভুটানের লিগে খেলতে যাচ্ছেন সাবিনা-মাসুরা
পরবর্তী নিবন্ধবিশ্বকাপ ট্রফিতে দেশমকে বিদায় জানাতে চান দেম্বেলে