বাংলাদেশ শিক্ষা ও গবেষণা ফাউন্ডেশন : দেশে চলছে কনকনে শীত, পাশাপাশি ঘন কুয়াশায় অসহায় দারিদ্র মানুষের কষ্টের সীমা থাকে না। এসব হতদরিদ্র শীতার্ত মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন বাংলাদেশ শিক্ষা ও গবেষণা ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক শিক্ষা চিন্তক ও ইসলামী গবেষক মাওলানা এম সোলাইমান কাসেমী। শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এরাবিয়ান লিডারশীপ মাদরাসার অধ্যক্ষ হাফেয মাওলানা মুহাম্মদ ইব্রাহীম ছিদ্দিকী, সমাজসেবক মুহাম্মদ মহসিন, শিক্ষানুরাগী মুনতাসির মামুন তারেক, গবেষক শায়খ মাওলানা মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সাঈদ প্রমুখ। মাওলানা এম সোলাইমান কাসেমী বলেন, আজকের এই শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম কেবল একটি দান নয়; এটি মানবতার প্রতি দায়িত্ববোধ এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের একটি বিনম্র প্রয়াস। আমাদের সামান্য সহযোগিতা যদি কোনো শীতার্ত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারে, সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। শীতবস্ত্র বিতরণ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
এপেক্স ক্লাব অব বান্দরবান : বান্দরবানে শীতার্ত ও ভাসমান মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে আন্তর্জাতিক সেবা সংগঠন এপেক্স ক্লাব অব বান্দরবান। সংগঠনটির উদ্যোগে মাসব্যাপী শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার (৫ জানুয়ারি) বান্দরবান সদরের ট্রাফিক মোড়, সাঙ্গু ব্রিজ এলাকা, রাজার মাঠ ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বারান্দায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এপেক্স বাংলাদেশের সদ্য অতীত জাতীয় সেবা পরিচালক মো: নুরুল আমিন চৌধুরী আরমান। এ সময় তিনি বলেন, মানবিক দায়বদ্ধতা থেকেই এপেক্স বাংলাদেশের সদস্যরা সবসময় সমাজের অসহায় মানুষের পাশে থাকে। শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। উপস্থিত জেলা গভর্নর সৈয়দ মিয়া হাসান বলেন, পার্বত্য বান্দরবানের শীত তুলনামূলক বেশি অনুভূত হয়। এপেক্স ক্লাব অব বান্দরবান যে মানবিক দায়িত্ব নিয়ে মাসব্যাপী এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এপেক্স বাংলাদেশের অতীত জেলা গভর্নর–৩ এপেক্সিয়ান মো. কামাল পাশা, এপেক্স ক্লাব অব সাঙ্গুর ২০২৬ বর্ষের প্রেসিডেন্ট প্রজ্ঞাসার বড়ুয়া পাপন, এপেক্সিয়ান আনোয়ার হোসেন, বিশিষ্ট কন্ঠ শিল্পী ও এপেক্স ক্লাব অব বান্দরবানের সদস্য অং মে প্রমুখ। এপেক্স ক্লাব অব বান্দরবানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চলমান শীত মৌসুমজুড়ে জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ভাসমান ও দুস্থ মানুষের মাঝে পর্যায়ক্রমে কম্বল বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ : হাড় কাঁপানো তীব্র শীতে রাঙামাটির জনজীবন বিপর্যস্ত। এই পরিস্থিতিতে গভীর রাতে মানবিক উদ্যোগ নিয়ে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মো. হাবীব আজম।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টায় রাঙামাটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল এলাকায় ছিন্নমূল, ভবঘুরে, দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। শীতবস্ত্র বিতরণকালে মো. হাবীব আজম বলেন, এই তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি কষ্টে থাকে অসহায় মানুষগুলো। আমাদের মতো সামর্থ্যবানদের উচিত তাদের পাশে দাঁড়ানো। এ সময় তিনি বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও সামাজিক সংগঠনগুলোর প্রতি শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। এই মানবিক কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ–সভাপতি মোরশেদ আলম, হিল সার্ভিসের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাসুদ রানা রুবেল, রাঙামাটি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. ওমর মোরশেদ, হিল ফুল ফুজুল যুব সংগঠনের অর্থ সম্পাদক আব্দুল মান্নান, আল আমিন ইসলামিয়া ফাজিল মডেল মাদ্রাসা শাখার ছাত্রদলের সভাপতি নূর মোহাম্মদ হাসিব, কলেজ ছাত্রদলের নেতা নাজমুল হাসানসহ বিভিন্ন সামাজিক ও ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। রাঙামাটি শহরের বনরূপা বাজার, নতুন বাসস্ট্যান্ড, রিজার্ভ বাজার, পৌরসভা প্রাঙ্গণ, দোয়েল চত্বর, হাসপাতাল এলাকা, নিউ মার্কেট, কালিন্দপুর, চম্পকনগর ও হ্যাপিরমোড়সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।












