বিনিয়োগে চোখ রেখে নতুন ভিসা নীতিমালা

খসড়া পরিমার্জনে কমিটি গঠন

| শুক্রবার , ৩ জুলাই, ২০২৬ at ৪:১৭ পূর্বাহ্ণ

বিনিয়োগ ও পর্যটন বাড়ানোর লক্ষ্য ধরে প্রায় দুই দশক আগের নীতিমালা সংশোধন করে নতুন ভিসা নীতিমালা করতে যাচ্ছে সরকার। বিদেশিদের বাংলাদেশে আগমন ও বহির্গমন আরো সহজ ও সুশৃঙ্খল করার লক্ষ্যে নতুন ভিসা নীতিমালার যে খসড়া তৈরি করা হয়েছে, তা আরো পরিমার্জনের জন্য অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এ তথ্য দিয়েছেন। এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ ভবনের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। খবর বিডিনিউজের।

২০০৬ সালে ভিসা নীতিমালা জারি করে সরকার। টানা দেড় দশক ধরে ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পাল্টে যাওয়া বাস্তবতায় বিএনপির নতুন সরকার এই ভিসা নীতিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নিল।

বিদেশিদের বাংলাদেশে আগমন ও বহির্গমনকে সহজ ও সুশৃঙ্খল করা, বিদেশি বিনিয়োগ, ব্যবসা ও দক্ষ মানবসম্পদ আকৃষ্ট করা, পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতকে উৎসাহিত করা, প্রযুক্তি ও জ্ঞান স্থানান্তর নিশ্চিত করা, জাতীয় নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখা, পারস্পরিকতার নীতির ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক ভ্রমণ ব্যবস্থাপনা করা এবং আধুনিক এবং সেবামুখী অভিবাসন কাঠামো গড়ে তোলার জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। ভিসা নীতিমালা ২০২৬ এর খসড়া তৈরি করার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এটি পরিমার্জনের জন্য অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটি মন্ত্রিসভাকমিটি গঠন করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে।

নাসিমুল গনি বলেন, আগে হিসাব ছিল পারস্পরিক সব ভিত্তিতে। তোমার লোক এলে আমি এতটুকু ভিসা দেব, এতদিন ভিসা দেব, এ শর্ত। আমরাও তাই করতাম। ওরা যা দেবে আমরাও তাই করব। কিন্তু আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেখা যাচ্ছে যে, আমাদের কিছু জায়গায় তো দরকার বেশি। সেখানে তার একজন ব্যবসায়ী যদি আসে আমার জন্য সুবিধা। সে এ দেশে বিনিয়োগ করতে পারবে। তো এ নিরিখে এই বোধটা আমাদের হয়েছে। সেই কারণে আমরা এই সরকার চাচ্ছে যে একটা ‘ইকোনমিক থ্রাস্ট’ হোক।

পূর্ববর্তী নিবন্ধএক্সপ্রেসওয়ের নিচের ডিভাইডারে চসিকের সৌন্দর্যবর্ধন ও বিজ্ঞাপন চুক্তি, সিডিএ’র আপত্তি
পরবর্তী নিবন্ধএনসিটি ইজারা প্রসঙ্গে বন্দর চেয়ারম্যানের বক্তব্যের প্রতিবাদ