চট্টগ্রাম বন্দরের পণ্য পরিবহনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ফ্লাইওভারটির পিলারের ‘ফাটল’ দেখতে যায়নি সওজ। বিষয়টি নিয়ে গতকাল দৈনিক আজাদীতে সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হলেও সওজ-এর সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ‘ফ্লাইওভারটি দেখতে যাওয়ার দরকার নেই’ বলে জানিয়েছেন।
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেনার টার্মিনাল এবং চিটাগাং কন্টেনার টার্মিনালের কন্টেনার নির্ঝঞ্জাটে পরিবহন করতে সড়ক ও জনপদ বিভাগ সল্টগোলা ক্রসিং এলাকায় একটি ফ্লাইওভার নির্মাণ করে। বিমানবন্দর সড়ককে ডিস্টার্ব না করে চট্টগ্রাম বন্দরের সাথে টোল রোডের সংযোগ করে দেয়া হয় উক্ত ফ্লাইওভারের মাধ্যমে। দশ বছরের পুরানো ফ্লাইওভারটির সল্টগোলা ক্রসিং এলাকায় সম্প্রতি একটি পিলারে ফাটল দেখা দেয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে উদ্বেগও দেখা দিয়েছে।
দৈনিক আজাদীতে গতকাল এই সংক্রান্তে একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। মঙ্গলবার রাতে ফ্লাইওভারের পিলারের ফাটলের ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে সওজ-এর নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু কুমার চাকমা গতকাল (বুধবার) এটি দেখতে যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু গতকাল পিন্টু কুমার চাকমার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফ্লাইওভারটি দেখতে যাওয়ার দরকার নেই বলে উল্লেখ করে বলেন, ‘পত্রিকায় যা লিখেছেন সেটা ঠিক আছে।’
এই ব্যাপারে গতরাতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী আবদুস সবুরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফ্লাইওভারের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ব্যাপারটিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানান।












