প্রাণের কইতর, উড়ে উড়ে ঘুরে ঘুরে জলের ছলে
ডুবে যাও নিতলে অতলে।
ডান থেকে বামে,বাম থেকে ডানে–
সরাসরি উপর থেকে নীিচে নেমে যাও মূলের কূলে।
তোমার পালকের ছোঁয়ায়,কী যে দারুণ মায়ায়,
আমি নিজেকে হারাই, কেবলই হারাই,
তবুও কাঙ্গাল হরিনাথ হয়ে যাই,
তোমাকে পাবার চিরন্তন আশায়।
প্রাণের কইতর, তুমি আড়ালে যাইও না, দূরেও থাইকো না,
বুকের ঘরে আর জ্বালা দিও না।
তোমার অনলে আকাশের মেঘেরা বৃষ্টি হয়ে
ঝরে পড়ে চোখের ভিতরে টুপটাপ।
সাগর হারায় ঢেউ, জলের উত্তাল চিনে না কেউ।
আমি এক গাছের কাণ্ডে হাজার লক্ষ বছর
লেপ্টে থাকি বিরহের বরপুত্র সেজে।
প্রাণের কইতর, মিনতি করি, ইহকালের গোধূলি বেলায়
এই আহত আমাকে; আর নিহত কইরো না।






