‘শিক্ষাগত ডিগ্রিধারী’ নাগরিকদের ভোটার হওয়া বা জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) আবেদনের ক্ষেত্রে এসএসসি কিংবা সমমান পরীক্ষার সনদ সার্ভারে আপলোড করা বাধ্যতামূলক করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল বুধবার ইসি সচিবালয়ের এনআইডি শাখা থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সব রেজিস্ট্রেশন কর্মকর্তা এবং উপজেলা ও থানা নির্বাচন কর্মকর্তাদের দেওয়া হয়। ভোটার বা এনআইডি নিবন্ধনের নির্ধারিত ফরমের সঙ্গে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার সনদ বা পাসপোর্ট, আবেদনকারী স্বাক্ষরিত প্রুফ কপির মত নথি ডাটাবেজে সংযুক্ত করার সুযোগ আছে। খবর বিডিনিউজের। এনআইডির তথ্য, বিশেষ করে জন্মতারিখ সংশোধনের জন্য এসএসসির সনদ যাচাইয়ের প্রয়োজন হলেও মাধ্যমিক বা ‘তদুর্ধ্ব উত্তীর্ণ’ ভোটারদের নিবন্ধনে কিছু থানা ও উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে ডাটাবেজে তা সংযুক্ত করছে না বলে ওই নির্দেশনায় তুলে ধরেছে ইসি সচিবালয়। এর ফলে এনআইডির তথ্য সংশোধনে এসএসসির সনদ যাচাই করা সম্ভব হচ্ছে না ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে অসুবিধা হয় বলেও এনআইডি শাখার পরিচালক সাইফুল ইসলামের সই করা ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে। সে জন্য মাধ্যমিক বা তদুর্ধ্ব ডিগ্রিধারীদের নিবন্ধনে এসএসসির সনদ ডাটাবেজে সংযুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আর উচ্চ মাধ্যমিক বা তদুর্ধ্ব ডিগ্রিধারীদের ভোটার হিসাবে নিবন্ধিত করতে এসএসসির সনদ সার্ভারে আপলোড করার পাশাপাশি তাদের ‘সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতার’ সনদ উপজেলা নির্বাচন অফিসে সংরক্ষণ রাখতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে উপজেলা নির্বাচন অফিসের এই কাজ তদারকি করতে আঞ্চলিক ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছে ইসি।













