জুয়েলারি, কসমেটিকসের দোকানে ভিড়

জামার সাথে দরকার মানানসই গহনা

জাহেদুল কবির | শুক্রবার , ১৩ মার্চ, ২০২৬ at ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ

পোশাকের কেনাকাটা শেষে অধিকাংশ তরুণী এখন জুয়েলারি কসমেটিকসের শো রুমদোকানে ভিড় করছেন। পোশাকের সাথে মানানসই চুঁড়িসহ বিভিন্ন ধরনের গহনা খুঁজতে এক মার্কেট থেকে অন্য মার্কেটে ঘুরছেন তারা। অপরদিকে তরুণরা ভিড় করছেন ঘড়ি চশমার দোকানে।

গতকাল নগরীর নিউমার্কেট, রেয়াজুদ্দিন বাজার, তামাকুমণ্ডি লেইন, জহুর হকার্স মার্কেট, টেরি বাজার, চকবাজারের মতি টাওয়ার, কেয়ারি, বালি আর্কেড, ২ নম্বর গেট শপিং কমপ্লেঙ, মিমি সুপার মার্কেট, আফমি প্লাজা, ফিনলে স্কয়ার, সেন্ট্রাল প্লাজা, ইউনেস্কো সিটি সেন্টার, মেরিডিয়ান কোহিনূর সিটি, আমিন সেন্টার, ভিআইপি টাওয়ার, স্যানমার ওস্যান সিটি, ফিনলে সাউথ সিটি, আখতারুজ্জামান সেন্টার, সিঙ্গাপুর ব্যাংকক মার্কেটসহ বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, পোশাকের দোকানগুলোর তুলনায় বিভিন্ন জুয়েলারি ও প্রসাধনীর দোকানে ক্রেতাদের ভিড় বেশি।

নগরীর দামপাড়া ওয়াসা মোড়ের অদূরে মেরিডিয়ান কোহিনূর সিটিতে কথা হয় লালখান বাজার এলাকার বাসিন্দা সুলতানা জাহানের সাথে। তিনি বলেন, জামা কাপড়ের কেনাকাটা শেষ করেছি। তাই এখন জামার সাথে ম্যাচিং করে গহনা এবং কানের দুল কিনতে এসেছি। বিক্রেতারা দাম নিচ্ছেন খুব বেশি।

জিইসি এলাকার সেন্ট্রাল প্লাজার কসমেটিকস বিক্রেতা ইমাম হোসেন বলেন, প্রতি বছরের মতো আমরা রকমারি ডিজাইনের চূড়ি, কানের দুল, নেকলেস, ব্রেসলেটের সংগ্রহশালা নিয়ে এসেছি। এখন পর্যন্ত বেচাবিক্রি ভালো। এছাড়া বিভিন্ন কসমেটিকসের দোকানগুলোতেও ভিড় বেড়েছে। বিভিন্ন বয়সী নারীরা লিপস্টিক, স্নো, পাউডার, মেকআপ বঙ, নেইল পলিশ, আলতাসহ নানা ধরনের কসমেটিকস কিনছে। সাজগোজ ছাড়া যেন তরুণীদের ঈদ আনন্দ অপূর্ণই থেকে যায়।

আফমি প্লাজায় আসা ক্রেতা তানজিলা হাসান বলেন, পোশাকের সাথে ম্যাচিং করে গহনা কিনতে এসেছি। যদিও বিক্রেতারা বেশি দাম হাঁকছেন। তারপরেও পছন্দের জিনিস দাম একটু বেশি হলেও তো কিনতে হয়।

অন্যদিকে পাঞ্জাবির শো রুমেও রয়েছে তরুণদের উপচে পড়া ভিড়। বিভিন্ন শপিং সেন্টারের শো রুমে ছাড়মূল্যে পাঞ্জাবি বিক্রি করা হচ্ছে। ইউনেস্কো সিটিতে আসা ক্রেতা আবির আহমেদ বলেন, ঈদের বাকি আর এক সপ্তাহের মতো আছে। তাই বন্ধুদের সাথে পাঞ্জাবি কিনতে এসেছি।

তামাকুমণ্ডি লেইন বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক বলেন, পোশাক কেনার পর নারীরা এখন কসমেটিকসের দোকানে ঢু মারছেন। গত কয়েকদিন ধরে ব্যবসাও ভালো চলছে।

রেয়াজউদ্দিন বাজার বণিক সমিতির সভাপতি ছালামত আলী বলেন, ঈদের বাজারে জমজমাট বেচাবিক্রি চলছে। নারীরা এখন জুয়েলারির দোকানে ভিড় করছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধস্ত্রীকে হত্যার পর পুঁতে রেখে কানাডায়
পরবর্তী নিবন্ধসীতাকুণ্ডে যুবদল কর্মী হত্যায় মামলা, আটক ৩