জুয়া, অনলাইন জুয়া এবং মাদকের বিরুদ্ধে আগামী ৩০ এপ্রিলের পর সারা দেশে সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সেই সঙ্গে অবৈধ সীসা বার ও লাউঞ্জ বন্ধে পুলিশের গোয়েন্দা ও অপরাধ বিভাগ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনছে বলেও তিনি জানান।
গতকাল সোমবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে জয়নুল আবদিন ফারুকের ৭১ বিধিতে দেওয়া নোটিশের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। নোটিশে রাজধানীর অভিজাত এলাকায় আবাসিক ভবন, রেস্টুরেন্ট ও ক্যাফের আড়ালে গড়ে ওঠা অবৈধ সীসা লাউঞ্জ বন্ধের বিষয়টি উত্থাপন করা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধিত) অনুযায়ী সীসা ‘খ’ শ্রেণির মাদকদ্রব্য হিসেবে তফসিলভুক্ত। বর্তমান সরকার মাদককে জাতীয় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে নির্বাচনী ইশতেহারে স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। অবৈধ সীসা লাউঞ্জ পরিচালনা বন্ধে রাষ্ট্রপক্ষের বিরুদ্ধে কিছু মালিক রিট মামলা করলেও, আপিলের প্রেক্ষিতে আপিল বিভাগ অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ বাতিল করেছেন। তিনি আরও জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী অনুমোদনবিহীন সীসা লাউঞ্জ বন্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে। সমপ্রতি রাজধানীর গুলশান এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধ সীসা বার থেকে সীসা ও হুক্কা জব্দ করা হয়েছে। একই ধরনের আরও অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন লাউঞ্জ থেকে মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। অবৈধ সীসা লাউঞ্জগুলো যাতে নাম–ঠিকানা পরিবর্তন করে পুনরায় কার্যক্রম চালাতে না পারে, সেজন্য গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খবর বাংলানিউজের।
সরকার জুয়া, অনলাইন জুয়া এবং মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। আগামী ৩০ এপ্রিলের পর সংসদের অধিবেশন শেষ হলে সারা দেশে সমন্বিত অভিযান শুরু করা হবে। দেশের যুবসমাজকে রক্ষা করতে এ উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি বলেও উল্লেখ করেন সালাহউদ্দিন আহমদ।











