সীতাকুণ্ডে বন্ধ জলিল টেক্সটাইল মিলের শ্রমিকদের পাওয়া টাকা পরিশোধের দাবিতে সমাবেশ করেছে মিলের শ্রমিক কর্মচারীরা। মিলটি হস্তান্তরের আগে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের দাবি জানিয়ে এ সমাবেশ করেন তারা। জলিল টেক্সটাইল মিলস্ ওয়ার্কাস ইউনিয়নের (সিবিএ) উদ্যোগে গতকাল শুক্রবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় মিল গেটে এ শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৯৬ সালে মিলটি বন্ধের পর গত ১ জুলাই বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা সমপ্রসারণের জন্য প্রতীকী মূল্যে সেনাবাহিনীকে হস্তান্তরের অনুমতি দেয় সরকার। বক্তারা বলেন, জলিল টেক্সটাইল মিলস্ তৃতীয় কোনো পক্ষের নিকট হস্তান্তরের পূর্বে ১ হাজার ৭৩ জন শ্রমিক–কর্মচারীদের নিরিক্ষিত প্রাপ্য বকেয়া মজুরি, প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাজুয়েটিসহ সার্ভিস বেনিফিটের টাকা প্রদানের দাবিতে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। জলিল টেক্সটাইল মিলস্ ওয়ার্কাস ইউনিয়নের সভাপতি মো. মছিউদ–দৌলার সভাপতিত্বে ও মো. জামশেদের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র ফৌজদারহাট–বাড়বকুণ্ড অঞ্চলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এডভোকেট জহির উদ্দিন মাহামুদ, মিল সিবিএর সহসভাপতি মোহাম্মদ সিদ্দিক, সাধারণ সম্পাদক আবুল কাসেম আজাদ ও দপ্তর সম্পাদক মো. ইউসুফ। শ্রমিক নেতৃবৃন্দরা বলেন, ২০১২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত মন্ত্রণালয়ের অডিট ফার্মস নিরিক্ষা অনুযায়ী ১০৭৩ জন শ্রমিক–কর্মচারী কর্মকর্তার পাওনা ২০ কোটি ৫৭ লাখ ৪৩ হাজার ৮০৮ টাকা। দীর্ঘদিন যাবত মিলের শ্রমিক–কর্মচারীরা পাওনা না পেয়ে চিকিৎসাসহ নানা অভাব অনটনে দিন পার করছে। অনেক শ্রমিক কর্মচারী মৃত্যুবরণ করেছেন। ওই সকল শ্রমিকদের পরিবার চরম মানবেতর জীবন যাপন করছে। গত ৩০ জুলাই পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কাছে শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা আদায়ের দাবি জানিয়ে লিখিতভাবে মিলের সিবিএর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে বলে সিবিএ নেতৃবন্দরা জানিয়েছেন।












