লোহাগাড়ায় গত এক সপ্তাহ ধরে বন্যহাতির তাণ্ডবে ৩ বসতঘর ও একটি মাছের খামারে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পানত্রিশা ও ফারেঙ্গা এলাকায় প্রতিদিন গভীর রাতে হাতির পাল লোকালয়ে এসে এ তাণ্ডব চালাচ্ছে। এতে আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে ওই এলাকার শত শত পরিবার। স্থানীয় ইউপি সদস্য জানে আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত বসতঘরের মালিকরা হলেন মাহমুদা বেগম, মফিজ উদ্দিন ও জাহাঙ্গীর আলম। এছাড়া মুহাম্মদ রেজাউল বাহারের মৌসুমি সাইন্টেফিক ফিশারিজের বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত গভীর রাতে বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। বাইরে বের হয়ে দেখি কয়েকটি বন্যহাতি বসতঘরে তাণ্ডব চালাচ্ছে। প্রাণের ভয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দ্রুত নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিই। কিছুক্ষণের মধ্যে হাতিগুলো ঘরের বিভিন্ন অংশ ভেঙে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে চলে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত মুহাম্মদ রেজাউল বাহার জানান, গত সোমবার দিবাগত গভীর রাতে একদল বন্যহাতি তার মাছের খামারে ঢুকে পড়ে। খামারের ভেতরের বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙচুর করে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। কিছুক্ষণ তাণ্ডব চালিয়ে হাতির দল চলে যায়। তিনি বলেন, এ ঘটনায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি এবং এখনো আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগের পদুয়া রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা রিয়াদুর রহমান ভুঁইয়া জানান, বন্যহাতির তাণ্ডবের বিষয়ে অবগত হয়েছি। ক্ষতিগ্রস্তরা যথানিয়মে আবেদন করলে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।












