বিভিন্ন সময়ে চট্টগ্রামে থানা ও সরকারি দপ্তর থেকে হারিয়ে যাওয়া সরকারি অস্ত্র উদ্ধারে সবার সহযোগিতা চেয়ে র্যাব–৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, হারানো অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত এসব অস্ত্র সমাজের সবার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাই কারও কাছে এমন অস্ত্র থাকলে তা র্যাবের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানাই।
গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় নগরের চান্দগাঁও র্যাব–৭ মিডিয়া সেন্টারে হারানো সরকারি অস্ত্র উদ্ধার ও সামপ্রতিক পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
র্যাব–৭ অধিনায়ক বলেন, চট্টগ্রামে হারানো সরকারি অস্ত্রের মধ্যে প্রায় ইতোমধ্যে ৮৪ শতাংশ অস্ত্র ইতোমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনো ১৬ শতাংশ অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এসব অস্ত্র উদ্ধারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে র্যাবের নেতৃত্বে বিশেষ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, যাদের কাছে অস্ত্র রয়েছে তারা সবাই অপরাধী–এমনটা নয়। অনেকের কাছে বিভিন্নভাবে অস্ত্র চলে আসতে পারে। কেউ হয়তো অস্ত্রটি কোথায় বা কীভাবে জমা দেবে, তা নিয়ে ভয় পাচ্ছেন। তাদের জন্য এটি একটি সুযোগ। গোপনে অস্ত্রের তথ্য দিলে বা অস্ত্র উদ্ধারে সহযোগিতা করলে পুরস্কার দেওয়া হবে। অস্ত্র জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া অস্ত্রও র্যাবের কাছে পৌঁছে দেওয়া যেতে পারে। কেউ অস্ত্রের সন্ধান পেলে নিজে ঝুঁকি না নিয়ে র্যাবকে তথ্য দিলে সদস্যরা গিয়ে সেটি উদ্ধার করবেন।
পুরস্কার বিষয়ে তিনি জানান, রাইফেল, এসএমজি, এলএমজি এবং স্নাইপার এর জন্য ২লক্ষ টাকা, শটগান, পিস্তল এবং গ্যাসগান এর জন্য ৫০ হাজার টাকা, সাউন্ড গ্রেনেড এবং টিয়ার সেল এর জন্য ১ হাজার ৫ শত টাকা এবং সকলপ্রকার গোলাবারুদ (প্রতি রাউন্ড) এর জন্য ৫০ টাকা সরকার কর্তৃক পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। জঙ্গল সলিমপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এলাকাটি র্যাবের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং উদ্বেগের বিষয়।
যৌথ বাহিনীর ক্যাম্প স্থাপনের পর থেকে সেখানে উল্লেখযোগ্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটেনি জানিয়ে তিনি বলেন, এলাকার পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত জঙ্গল সলিমপুর থেকে র্যাবের ক্যাম্প প্রত্যাহার করা হবে না।











