খুলনা নগরীতে শ্রমিক দলের এক নেতাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বিদেশি পিস্তলসহ একজনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার রাত ৯টার দিকে নগরের ডাকবাংলো মোড়ে বাটা শো–রুমের সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান খুলনা সদর থানার ওসি মো. কবির হোসেন। খবর বিডিনিউজের।
নিহত মাসুম বিল্লাহ (৪৫) রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামের প্রয়াত মিনহাজ উদ্দীন মুন্সীর ছেলে ও নৈহাটি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা কামালের ভাই। তিনি রূপসা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এবং উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক ছিলেন।
আটক ব্যক্তির নাম অশোক ঘোষ। তাৎক্ষণিক তার সম্পর্কে আর বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেনি পুলিশ। পুলিশ জানায়, রাতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঈদের কেনাকাটা করতে ডাকবাংলো মোড়ে যান মাসুম বিল্লাহ। এ সময় ছয় থেকে সাতজন ব্যক্তি তাকে ঘিরে ধরে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। পরে মৃত্যু নিশ্চিত করতে তাকে গুলি করা হয়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়ায়। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় ওই এলাকায় দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় অশোক ঘোষকে আটক করেন।
গুলিবিদ্ধ মাসুমকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান খুলনা নগর পুলিশের উপ–কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। হামলাকারীরা ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গুলি করে তাকে হত্যা করেছে।
তাজুল ইসলাম বলেন, মাসুম বিল্লাহকে হত্যার জন্য একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ছয় থেকে সাতজনকে ভাড়া করেছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এ ঘটনায় ‘সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবুর’ এক সদস্যকে পিস্তলসহ আটক করা হয়েছে। বাকিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ নিয়ে এক সপ্তাহে খুলনায় সন্ত্রাসী হামলায় পাঁচজন নিহত হন বলে জানিয়েছে পুলিশ।












