সহ–আয়োজক কানাডাকে ২–১ গোলে হারিয়ে গ্রুপ ‘বি’ চ্যাম্পিয়ন হলো সুইজারল্যান্ড। ম্যাচের শুরুতে দুই দলই সেট–পিস থেকে আক্রমণ গড়ার চেষ্টা করে। তবে ষষ্ঠ মিনিটে কানাডার ফ্রি–কিক ও সুইজারল্যান্ডের কর্নার, দুই ক্ষেত্রেই প্রথম বাধা পেরোতে পারেনি বল। প্রথম ২০ মিনিটে কানাডা ছিল অনেকটাই ব্যাকফুটে। সুইজারল্যান্ড আক্রমণে বেশি সক্রিয় ছিল, আর স্বাগতিকরা ভরসা রাখছিল সেট–পিসে। ৩২ মিনিটে কানাডার ভালো সুযোগ আসে। জোনাথন ডেভিডের পাস থেকে লারিন নিচু শট নেন, তবে কোবেল সেটি ধরে ফেলেন। ৪২ মিনিটে কানাডা সবচেয়ে সুন্দর সুযোগ পায়। আলিস্টেয়ার জনস্টন বল দেন ডেভিডকে। তিনি ঘুরে বল পাঠান আলি আহমেদের দিকে। কিন্তু আহমেদের শট গোলরক্ষক সহজেই ধরে ফেলেন। ৪৪ মিনিটে আবার চেষ্টা করেন ডেভিড। লারিনের পাস পেয়ে জায়গা তৈরি করলেও তার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। প্রথমার্ধের যোগ করা সময় ছিল চার মিনিট। তবে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। বিরতিতে স্কোর ছিল ০–০। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। ৪৬ মিনিটে ডান দিক দিয়ে দারুণ দৌড়ে এগিয়ে যান মানজাম্বি। তার কাটব্যাক পেয়ে কাছ থেকে এক স্পর্শে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিচু শটে জালে পাঠান ভারগাস। এগিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড। ৫৭ মিনিটে মাঝমাঠের দিক থেকে আসা বল ঠিকমতো সামলাতে পারেনি কানাডার রক্ষণ। এমবোলো বল নামিয়ে দেন মানজাম্বির জন্য। বঙের ভেতর থেকে জোরালো শটে ক্রেপোর শরীর ভেদ করে বল জালে পাঠান মানজাম্বি। ২–০ গোলে এগিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড। ৫৯ মিনিটে তিন পরিবর্তন আনেন কানাডা কোচ জেসি মার্শ। মাটি চোয়ানিয়েরে, লারিন ও আহমেদকে তুলে নামানো হয় স্টিফেন ইউস্তাকিও, টানি ওলুওয়াসেই ও লিয়াম মিলারকে। মাঠে নেমেই মিলার আক্রমণে গতি আনার চেষ্টা করেন। ৭৬ মিনিটে উইং দিয়ে ভেসে আসা বল দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন সালিবা। এরপর নিখুঁত ক্রসে ডেভিডকে খুঁজে পান তিনি। বদলি নামার মাত্র ৭৩ সেকেন্ডের মাথায় বল জালে পাঠান ডেভিড। ব্যবধান কমায় কানাডা। গোলের পর ম্যাচে ফেরার আশা তৈরি হয় কানাডার। ৭৯ মিনিটে ফ্রি–কিক থেকে সামনে পোস্টে হেডের সুযোগ পেয়েছিলেন ওলুওয়াসেই। কিন্তু তিনি বল বাইরে পাঠান। এক মিনিট পর ভারগাসকে তুলে ড্যান এনডোইকে নামায় সুইজারল্যান্ড। শেষ দিকে কানাডা একের পর এক আক্রমণে যায়। যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে কানাডা পায় সবচেয়ে বড় সুযোগ। মার্কারকে কাটিয়ে জনস্টন ফ্রি হেড নেন। কিন্তু হেডে যথেষ্ট শক্তি ছিল না। কোবেল সেটি ঠেকিয়ে দেন। আর সেখানেই শেষ হয়ে যায় কানাডার সমতায় ফেরার আশা। শেষ বাঁশি বাজতেই স্বস্তি আসে সুইজারল্যান্ড শিবিরে। ২–১ ব্যবধানে জয় নিয়ে তারা গ্রুপ ‘বি’ চ্যাম্পিয়ন হয়।











