মেয়াদোত্তীর্ণ ও দুর্গন্ধযুক্ত উপকরণ দিয়ে খাবার তৈরি, বাসি রান্না করা খাবার কাঁচা মাছ–মাংসের সঙ্গে একই ফ্রিজে সংরক্ষণের অপরাধে নগরীর কাজীর দেউড়ীর সাম’স নামের একটি রেস্টুরেন্টকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
গতকাল জাতীয় ভোক্তা অধিকার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয় ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) একটি দলের সমন্বয়ে কাজীর দেউড়ি বাজার ও আশপাশের এলাকায় বাজার তদারকির সময় এ জরিমানা করা হয়।
অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাম’স রেস্টুরেন্টে মেয়াদোত্তীর্ণ ও দুর্গন্ধযুক্ত বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করে খাবার তৈরি করা হচ্ছিল। পাশাপাশি রান্না করা বাসি খাবার কাঁচা মাছ–মাংসের সঙ্গে একই ফ্রিজে অস্বাস্থ্যকরভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছিল। এ ছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ পাউরুটিও খাবার তৈরির জন্য সংরক্ষণ করা হয়। এসব অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে দেড় লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। একই অভিযানে কাজীর দেউড়ি বাজারে দেশি মাগুর মাছের সঙ্গে চাষের শিং মাছ মিশিয়ে বিক্রি এবং চাষের শিং মাছ দেশি মাছ হিসেবে বিক্রির দায়ে খালেকের মাছের দোকান ও আনোয়ার ফিসকে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
অন্যদিকে, মেয়াদোত্তীর্ণ পাউরুটি দিয়ে বার্গার তৈরি এবং কয়েক দিনের পুরোনো পোড়া তেল ব্যবহার করে খাবার প্রক্রিয়াজাত করার দায়ে সিপি ফাইভ স্টারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ। এ সময় সহকারী পরিচালক মাহমুদা আক্তার ও রানা দেবনাথ উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ বলেন, খাদ্যদ্রব্য প্রস্তুত ও সংরক্ষণে অনিয়ম জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। মেয়াদোত্তীর্ণ ও দুর্গন্ধযুক্ত উপকরণ দিয়ে খাবার তৈরি এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য সংরক্ষণের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে এ ধরনের তদারকি অব্যাহত থাকবে।












