কম খরচে বড় আয়োজনের দৃষ্টান্ত কমনওয়েলথ গেমসে

গ্লাসগোর বিদায়

| মঙ্গলবার , ৪ আগস্ট, ২০২৬ at ৮:২৪ পূর্বাহ্ণ

অস্ট্রেলিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের মধ্যে দিয়ে ১১ দিনব্যাপী গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসের পর্দা নেমেছে। ৪ বছর পর পর হওয়া টুর্নামেন্টটিতে ৭০টি স্বর্ণপদক জিতেছে তারা। সব মিলিয়ে তাদের নামের পাশে পদক সংখ্যা ১৭১। আর কোনো দেশই ১১০ পদকের ঘর পার করতে পারেনি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১১০টি পদক জিতেছে ইংল্যান্ড। তাদের নামের পাশে সোনার পদক ২৯টি। গেমসের সমাপনী অনুষ্ঠান শুধু একটি আসরের সমাপ্তি নয়, বরং ভবিষ্যতের সূচনাও হয়ে উঠেছে। স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো থেকে ভারতের আহমেদাবাদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে কিংস ব্যাটন হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমসের যাত্রা। স্কটল্যান্ডে রোববার রাতে হাইড্রো অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত ৯০ মিনিটের সমাপনী অনুষ্ঠান ছিল সংস্কৃতি, সংগীত ও ঐক্যের এক অনন্য প্রদর্শনী।

স্কটল্যান্ডের জনপ্রিয় শিল্পী স্যান্ডি থম এবং ড্রাম ব্যান্ড ক্ল্যান অ্যান ড্রামারের পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। স্কটিশ ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মিশেলে সাজানো মঞ্চ দর্শকদের মুগ্ধ করে। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল স্কটিশ ও ভারতীয় সংস্কৃতির সম্মিলন। ব্যাগপাইপ, স্কটিশ হুইসেল এবং ভারতীয় সেতারের যুগল পরিবেশনা প্রতীকীভাবে তুলে ধরে দুই আয়োজক শহরের সংযোগ। পরে ভারতের সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় বলিউড ঘরানার নৃত্য, সংগীত ও আলোকসজ্জার মাধ্যমে ২০৩০ সালের আয়োজক দেশের পরিচয় তুলে ধরা হয়। কিংস ব্যাটন হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করে আহমেদাবাদ। এর মাধ্যমে শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিতব্য ২০৩০ কমনওয়েলথ গেমসের কাউন্টডাউন শুরু হয়। গ্লাসগো ২০২৬ নানা ক্রীড়া সাফল্য ও আবেগঘন মুহূর্তে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। অস্ট্রেলিয়ার পদক আধিপত্য, নাইজেরিয়ার বিশ্বরেকর্ড, ভারতের বক্সিং সাফল্য এবং দক্ষিণ আফ্রিকার সাঁতারু চ্যাড লে ক্লসের সর্বাধিক পদকজয়ী হওয়ার কীর্তি ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। বিদায়ের ক্ষণে গ্লাসগো শুধু সফল একটি গেমস আয়োজনই শেষ করেনি, বরং ভবিষ্যতের কমনওয়েলথ আয়োজনের জন্যও একটি কার্যকর ও ব্যয়সাশ্রয়ী মডেলের উদাহরণ রেখে গেছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধভারতের টেস্ট দলে জম্মু-কাশ্মীরের আকিব নবি
পরবর্তী নিবন্ধচিলিতে রাজকীয় অভ্যর্থনা কেপ ভার্দের ভোজিনিয়ার