ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান

গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচি অব্যাহত

আজাদী ডেস্ক | শনিবার , ১২ এপ্রিল, ২০২৫ at ৭:৪৩ পূর্বাহ্ণ

ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ : ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ আল্লামা জয়নুল আবেদীন জুবাইর বলেছেন, গাজা ভূখণ্ডে দখলদার ইসরাইলের নৃশংসতা এখন মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। গোটা ফিলিস্তিন যেন এক বধ্যভূমি। ফিলিস্তিনিরা ভূমিজ সন্তান হয়েও আজ নিজ দেশে শরণার্থী। ইসরাইলী মিত্র ইঙ্গ– মার্কিনীরা ফিলিস্তিন দখলের মধ্য দিয়ে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠায় মরিয়া। তিনি জাতিসংঘের নির্বাক ও নির্লিপ্ত ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন– এ মূহুর্তে বিশ্বের তাবৎ মুসলিম দেশসমূহের ইস্পাত কঠিন ঐক্য প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে এ জালিম ফ্যাসিস্ট অপশক্তির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। অন্যথায় এ অপশক্তি মুসলিম জাহানের কেবলাভূমি মক্কা– মদিনার দিকে আঙ্গুল তুললে অবাক হওয়ার কিছুই থাকবে না। মানববন্ধনে অধ্যক্ষ আল্লামা জয়নুল আবেদীন জুবাইর ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা নিশ্চিতকল্পে ৭ দফা প্রস্তাবনা পেশ করেন। এছাড়া তিনি সমপ্রতি ভারত সরকার কর্তৃক ওয়াকফ বিল ২০২৫ বিল পাস করার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন– এ আইন সংশোধন করে ধর্মীয় সম্পত্তির উপর অবাঞ্ছিত হস্তক্ষেপ করেছে। এটি মুসলমানদের পূর্বপুরুষদের জমি– সম্পত্তি কুক্ষিগত করার হীন ষড়যন্ত্র। এর মাধ্যমে ওয়াকফ বোর্ডের ক্ষমতা অপেক্ষাকৃত খর্ব হয়ে যাবে। ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ ঢাকা মহানগরের উদ্যোগে গত বুধবার বিকেল ৩টায় ইসরাইল কর্তৃক গাজার মুসলমানদের উপর নির্বিচারে হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের প্রতিবাদে ঢাকা প্রেসক্লাব চত্বরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে তিনি উপরোক্ত মন্তব্য করেন। ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর সভাপতি পীরে তরিকত আল্লামা মোশাররফ হোসেন হেলালীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন– ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় মহাসচিব শায়খুল হাদিস অধ্যক্ষ আল্লামা জয়নুল আবেদীন জুবাইর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন – ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ এম ইব্রাহীম আখতারী, যুগ্ম মহাসচিব পীরে তরিকত আল্লামা খাজা আরিফুর রহমান তাহেরী, যুগ্ম মহাসচিব আমজাদ আলী লিটন, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সচিব তরিকুল হাসান লিংকন, সহ যুব সম্পাদক আল আমিন দেওয়ান।

মানবাধিকার উন্নয়ন ফাউন্ডেশন : গাজায় মানবতাবিরোধী বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে এবং ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সংহতি জানিয়ে গতকাল শুক্রবার বিকেল তিনটায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ মানবাধিকার উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এডভোকেট জাফর হায়দারের নেতৃত্বে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে উপস্থিত ছিলেন মহাসচিব মহিউদ্দিন স্বপন, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হোসেন, মানবধিকার নেতা গোলাম সারোয়ার, এইচ.এম.ইউসুফ, এম.নাসির উদ্দিন জসিম, বিলকিছ বেগম, হ্যাপী, ফজলুল করিম মনসুর, আবু সুফিয়ান রুবেল, মোঃ জলিল, মোঃ হাফিজ উদ্দিন খান আবু। বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাব প্রতিনিধি এডভোকেট গোলাম মাওলা মুরাদ, এডভোকেট কাসেম কামাল, এডভোকেট মাসুদুল আলম, এডভোকেট মোহাম্মদ মাকসুদুল আলম, মাওলানা জাকারিয়া খালেদ, মাওলানা আনোয়ার হোসেন রাব্বানী, সৈয়দ নুর মোহাম্মদ কিবরিয়া, জামাল উদ্দিন, মাওলানা হারুন নিজামী, আলী হাসান প্রমুখ। এসময় বক্তারা বলেন, গাজায় ইসরায়েলের দমন–নিপীড়ন বিশ্ব বিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছে। জাতিগত নিধনযজ্ঞের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। দেশে ইসরাইলের পণ্য বর্জন করার আহ্‌বান জানান।

রাঙ্গুনিয়ার কোদালা : রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি জানান, বর্বর ইসরায়েল কর্তৃক মাজলুম ফিলিস্তিনিদের উপর গণহত্যার প্রতিবাদে রাঙ্গুনিয়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে ২নং রাইখালী এবং ১২নং কোদালা ইউনিয়নের সর্বস্তরের মুসলিম জনসাধারণে ব্যানারে আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে ইসরায়েলী পণ্য বর্জনের আহবান জানানো হয়। এদিন জুম্মার নামাজের পর থেকে পৃথক মিছিলসহকারে পূর্ব কোদালা সন্দীপ পাড়া জামে মসজিদের সামনে এসে জড়ো হন সকলে। সেখান থেকে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল রাঙামাটি–বান্দরবান সড়কপথে যাত্রা করে। মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের হাতে কালেমা তৈয়্যবা খচিত পতাকা, ফিলিস্তিনি পতাকা, ফিলিস্তিনের শহীদ শিশুদের রক্তাক্ত প্রতিকৃতিসহ ফিলিস্তিনের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত ব্যানার–ফেস্টুন, নেতা নিয়াহুর কুশপুত্তলিকা ছিলো। হাজার হাজার মানুষের অংশগ্রহণে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ মিছিলে ইসরায়েল, আমেরিকা ও ভারত বিরোধী স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয় আশেপাশের এলাকা। পরে ফেরিঘাট জামে মসজিদ মাঠে এসে সমাবেশের মাধ্যমে মিছিলটি শেষ হয়। এতে সভাপতিত্বে করেন পূর্ব কোদালা সন্দীপ পাড়া জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মুহাম্মদ সোলায়মান। উদ্বোধক ছিলেন বড়খোলাপাড়া তালিমুল ইসলাম মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা রফিকুল ইসলাম আমিনি। প্রধান অতিথি ছিলেন কোদালা মাদ্রাসার শিক্ষক ক্বারী মোহাম্মদ রফিক। মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল আজিজের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন মাওলানা মুফতি মুহাম্মদ নেজাম, মাওলানা মুহাম্মদ আনোয়ারসহ বিভিন্ন স্তরের আলেমওলামাবৃন্দ। শেষে বিক্ষুব্ধ মুসলিম জনসাধারণ ইসরায়লী পতাকা পুড়িয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবং মোনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মার শান্তি এবং নিরীহ ফিলিস্তিনিদের জন্য বিশেষ দোয়া করেন।

আনোয়ারা বারখাইন ইউনিয়ন বিএনপি : আনোয়ারা প্রতিনিধি জানান, গাজা ও রাফায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে আনোয়ারা উপজেলার বারখাইন ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে প্রতিবাদ সমাবেশ ও সংহতি র‌্যালির আয়োজন করা হয়েছে। গতকাল বিকালে তৈলারদ্বীপ সরকার হাটে এই প্রতিবাদ সমাবেশ ও সংহতি র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

বারখাইন ইউনিয়ন বিএনপির সহ–সভাপতি নুরুল ইসলাম মেম্বারের সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল নেতা ইমরান চৌধুরীর সঞ্চালনায় সংহতি র‌্যালি পরবর্তী প্রতিবাদ সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহ–সভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরী, বারখাইন ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হোসেন, বিএনপি নেতা মনিরুল ইসলাম, মৌলানা হাফেজ জাহেদুল ইসলাম, মৌলানা আবদুস ছবুর, মৌলানা কাউছার হামিদ, ৬নং ইউপি কৃষক দলের সাবেক সভাপতি শামশুল ইসলাম, ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কামাল উদ্দিন, ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সম্পাদক নুরুল কবির, জানে আলম, জাহাঙ্গীর আলম, জামাল উদ্দীন, মো. শহীদ, গোলাম মুহাম্মদ, কামরুজ্জামান, কবির আহম্মদ, লোকমান সওদাগর জানে আলম, যুবদল নেতা মো. ইমরানুল করিম চৌধুরী, ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি সুমন আহমেদ মো. জেবল হোসেন, আবছার কাদেরী, নাছির উদ্দীন, হাফেজ আজিজুল হক প্রমুখ। প্রতিবাদ সমাবেশের আগে আয়োজিত সংহতি র‌্যালিটি পিএবি সড়কের সরকার হাট এলাকা প্রদক্ষিণ করে। বক্তারা গাজা ও রাফায় ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী নৃশংসভাবে নিরীহ মুসলমান নারী শিশু ও সাধারণ মানুষকে হত্যা ও বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়।

বাংলাদেশ ফিলিস্তিন সংহতি মঞ্চ : ফিলিস্তিনে নারকীয় গণহত্যা, দখলদারিত্ব ও জাতিগত নির্মূল অভিযান ও গাজায় নারী–শিশু হত্যা, হাসপাতাল–উপাসনালয় ধ্বংস, পানি ও খাদ্য অবরোধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘনের প্রতিবাদে মানবাধিকার সংস্থা র‌্যাডিকেল ইন্টার্ন্যাশনাল ও চট্টগ্রামভিত্তিক সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় গবেষণামূলক সংগঠন চট্টগ্রাম সংস্কার চিন্তার যৌথ উদ্যোগে ‘বাংলাদেশ–ফিলিস্তিন সংহতি মঞ্চ’–এর ব্যানারে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে ‘বাংলাদেশ–ইসরাইলের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কূটনৈতিক সামরিক, প্রযুক্তিগত ও বাণিজ্যিক সর্বপ্রকার সম্পর্ক এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা স্থায়ীভাবে বাতিল দাবির পাশাপাশি আরও কিছু দাবি উত্থাপন করা হয়। এ বিষয়ে র‌্যাডিকেল ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব এবং বাংলাদেশ –ফিলিস্তিন সংহতি মঞ্চের মুখ্য সমন্বয় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এস এম ইকরাম হোসাইন বলেন – আমদের রাষ্ট্রীয়ভাবে স্পষ্ট করতে হবে আমরা জালিমের পক্ষে না মজলুমের পক্ষে, ন্যায্যতার পক্ষে না অন্যায়ের পক্ষে! আর তাই বাংলাদেশের ইকোনোমি বাঁচাতে, বয়কটের নামে লুটেরাদের হাত থেকে আমাদের ব্যবসায়ী ভাইদের রক্ষা করতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বাংলাদেশে ইসরায়েলী যেসকল কোম্পানির পণ্য আমদানি ও বাণিজ্যিকীকরণ হয় তা রাষ্ট্রীয়ভাবে তালিকা প্রকাশ করে কঠোর পলিসি গ্রহণ করতে হবে।

সংহতি মঞ্চের মুখপাত্র এ্যাড মিজানুর রহমান সামিরের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শামসুল ইসলাম ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার নাসির উদ্দিন, হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদের কো–চেয়ারম্যান মাস্টার আবুল হোসাইন, স্বপ্নযাত্রী ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক রুবেল মাহমুদ, সংহতি মঞ্চের সহ–সমন্বয়ক মো: ইলিয়াসসহ বিভিন্ন সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সমাবেশে বাংলাদেশ–ফিলিস্তিন সংহতি মঞ্চের পক্ষ থেকে ৭ দফা দাবি পাঠ করেন সহ–সমন্বয়ক ও চট্টগ্রাম সংস্কার চিন্তার মুখপাত্র স্থপতি আকরামুল হোসাইন বাপ্পী। দাবিসমূহ – ১. বাংলাদেশ–ইসরাইল কূটনৈতিক, বাণিজ্যিক সম্পর্ক ও ভবিষ্যত সম্ভাবনা স্থায়ীভাবে বাতিল ঘোষণা করতে হবে। ২. পতিত স্বৈরাচারের আমলে সামরিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার অতীত চুক্তিসমূহ জনসমক্ষে প্রকাশ করে তা বাতিল করতে হবে। ৩. ফিলিস্তিনে ইসরাইলের গণহত্যার প্রতিবাদে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কর্মসূচি পালন করতে হবে। ৪. জাতিসংঘে ইসরাইল রাষ্ট্রের স্বীকৃতি বাতিলের জন্য ও মানবতার শত্রু নেতানেয়াহুর সর্বোচ্চ বিচারের দাবিতে বিশ্ব–দরবারে প্রস্তাব প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ সরকারকে সক্রিয় উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। ৫. বাংলাদেশ থেকে যারা ইসরাইলের সঙ্গে ব্যক্তিকেন্দ্রিক ও রাজনৈতিক স্বার্থে সম্পর্ক স্থাপন বা সহযোগিতার পেছনে জড়িত ছিল কিংবা আছে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ তদন্ত ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে হবে। ৬. গুজব প্রতিহত ও দেশীয় অর্থনীতি বাঁচাতে রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসরায়েলি পণ্য ও প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রস্তুত করে তা দেশে আমদানী ও বাণিজ্য নিষিদ্ধকরণে পলিসি তৈরি করতে হবে। ৭. ইসরাঈলী পণ্য বয়কটের অজুহাতে যারা স্বদেশী ব্যবসায়ী ভাইদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং পণ্য লুটপাট করেছে তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ও মব ভায়োলেন্স সৃষ্টির সকল সুযোগ বন্ধ করার নিমিত্তে প্রশাসনিক যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

আউলিয়া কেরাম দরবার সমিতি চন্দনাইশ পৌরসভা : আউলিয়া কেরাম দরবার সমিতি চন্দনাইশ পৌরসভার উদ্যোগে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র স্বীকৃতির দাবি ও দখলদার ইসরাইল বাহিনীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা শুক্রবার বিকাল ৩ টায় চন্দনাইশ থানা বাজার সদরে আউলিয়া কেরাম দরবার সমিতি চন্দনাইশ পৌরসভার সভাপতি মুহাম্মদ শফিউল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সহ সভাপতি শায়ের মোখতার হোসেন শিবলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত চন্দনাইশ পৌরসভার সহ সভাপতি মাওলানা মাহবুবুর রহমান আল কাদেরী, সহ সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আলমগীর ইসলাম বঈদী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা সৈয়দুল হক, মাওলানা আবুল কাশেম নুরী, মাওলানা শিবগতুল্ল চৌধুরী, আলহাজ্ব ওয়াহিদুল আলম, মাওলানা মুহাম্মদ মোজাহেরুল ইসলাম, মুহাম্মদ ওসমান। উপস্থিত ছিলেন আউলিয়া কেরাম দরবার সমিতি চন্দনাইশ পৌরসভার সাধারণ সম্পাদ, মোহাম্মদ আবদুর রহিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ বেলাল, অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ মিনার, প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ মাহাবুব আলম, মোহাম্মদ রিদওয়ান হোসেন, মোহাম্মদ হাসান সহ বিভিন্ন পেশাজীবির নেত্ববৃন্দ।

বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি : শুক্রবার বাদ জুমা ফিলিস্তিনের গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে চট্টগ্রাম আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আল্লামা এনামুল হক কুতুবী প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, ইসরাইল কর্তৃক ফিলিস্তিনের গাজায় নির্মমভাবে গণহত্যা চালিয়ে বিশ্বমানবতাকে পদধলিত করে বিশ্বমুসলিমকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করেছে। অচিরেই বিশ্ব রাষ্ট্রপ্রধানগণ দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করে গণহত্যা ও যুদ্ধ বন্ধ করুণ। বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগর নেজামে ইসলাম পার্টির নায়েবে আমির হাফেজ মাওলানা জাকারিয়া খালেদ, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হাফেজ আনোয়ার হোসাইন রব্বানী’র সঞ্চালনায় বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব প্রতিবাদ সমবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় যুব বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক নজরুল ইসলাম চৌধুরী, মহানগর নেজামে ইসলাম পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ নুর মোহাম্মদ কিবরিয়া, প্রচার সম্পাদক মাওলানা দ্বীন মোহাম্মদ, মিডিয়া বিষয়ক সম্পাদক সাংবাদিক কে.এম. আলী হাসান, শ্রমিক সম্পাদক মাওলানা হারুন নিজামী, অর্থ সম্পাদক হাফেজ মাহমুদুল হাসান, ছাত্রনেতা আমান উল্লাহ প্রমুখ। উক্ত বিক্ষোভ মিছিলটি আন্দরকিল্লাহ শাহী জামে মসজিদ এর উত্তর গেইট থেকে শুরু করে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে সেগুন বাগান মাদ্‌রাসার মহাপরিচালক মাওলানা হাফেজ তৈয়ব’র মুনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্ত করা হয়।

পূর্ববর্তী নিবন্ধরাঙামাটিতে ঐতিহ্যবাহী বলী খেলা চ্যাম্পিয়ন খাগড়াছড়ির সৃজন বলী
পরবর্তী নিবন্ধব্যক্তিগত পরিক্রমা