আসিয়ান কাপকে সামনে রেখে জাকার্তায় অনুশীলনে বাংলাদেশ

| বুধবার , ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ at ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ

ফিফা আসিয়ান কাপকে সামনে রেখে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় দলের সঙ্গে যোগ দিয়ে পুরোদমে ঘাম ঝরিয়েছেন প্রবাসী মিডফিল্ডার শমিত সোম। দীর্ঘ অপেক্ষার পর জাতীয় দলে ফিরতে পেরে দারুণ রোমাঞ্চিত শমিত। একই সঙ্গে আসন্ন এই বড় মঞ্চে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণ করতে বেশ আত্মবিশ্বাসী তিনি। জাকার্তায় দলের অনুশীলন শেষে নিজের ফেরা ও প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলেন শমিত। তিনি বলেন, ‘কয়েক মাস পর আবারও সবার সঙ্গে খেলতে খুব ভালো লাগছে। দলটাকে বেশ শার্প মনে হচ্ছে, আমাদের ট্রেনিংও খুব ভালো হয়েছে। এখানকার মাঠ এবং পরিবেশ চমৎকার। আশা করছি আমরা নিজেদের ভালোভাবে প্রস্তুত করতে পারছি। শুক্রবারের ম্যাচের আগে তৈরি হতে আমাদের হাতে আরও দুই দিন সময় আছে।’ আসন্ন আসিয়ান কাপের জন্য ঘোষিত দলে এবার ফারহান আলী ওয়াহিদের মতো বেশ কয়েকজন নতুন মুখ ডাক পেয়েছেন। নতুন সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলন করে মুগ্ধ শমিত বলেন, ‘দলে নতুন খেলোয়াড় এসেছে, তাদের সঙ্গে দেখা করে এবং প্রথমবারের মতো একসঙ্গে অনুশীলন করে আমার খুব ভালো লেগেছে। আমি বেশ ইমপ্রেসড। তারা সবাই আমাদের দলে নতুন কিছু যোগ করতে পারবে, ফলে আমাদের স্কোয়াড আরও উন্নত হবে এবং সুস্থ প্রতিযোগিতা বাড়বে।’ দলের সবার লক্ষ্য যে অভিন্ন, সেটি মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের সবার লক্ষ্য একটাই বাংলাদেশের জন্য ভালো করা, ম্যাচ জেতা এবং ভালো ফুটবল খেলা।’ ফিফা আসিয়ান কাপকে বাংলাদেশ ফুটবলের জন্য বড় একটি সুযোগ হিসেবে দেখছেন এই তারকা। বড় মঞ্চে লড়াই করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘এটি খুব বড় একটি টুর্নামেন্ট, একটি ফিফা ইভেন্ট। নিজেদের প্রমাণ করার জন্য বাংলাদেশের সামনে এটি দারুণ একটি সুযোগ যে, আমরাও উচ্চ পর্যায়ে খেলতে পারি। আমি আত্মবিশ্বাসী যে আমরা ভালো পারফর্ম করতে পারব। বাংলাদেশ ফুটবলের জন্য এই টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়াটা খুবই এক্সাইটিং একটি ব্যাপার।’ জাতীয় দলের পাশাপাশি সমপ্রতি ক্লাব ফুটবলেও নতুন এক অধ্যায় শুরু করেছেন শমিত।

যুক্তরাষ্ট্রে নিজের বর্তমান সময় ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের সমর্থন নিয়ে তিনি বলেন, ‘গত দুইতিন মাস ধরে নতুন একটি জার্নি শুরু করেছি, যেটা বেশ ভালোই চলছে। নিয়মিত মাঠে খেলতে, ফিটনেস বাড়াতে এবং নিজের শার্পনেস ধরে রাখতে আমার ভালো লাগছে। নিউজার্সি, নিউইয়র্ক এবং প্যাটারসনে বিশাল এক বাংলাদেশি কমিউনিটি আছে, যারা আমাকে বেশ সাপোর্ট করছে। সব মিলিয়ে এই নতুন জার্নিটা দারুণ উপভোগ করছি।’ মালেয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুক্রবার শুরু হবে বাংলাদেশের মাঠের লড়াই। ‘এ’ গ্রুপের অন্য দুই দল সিঙ্গাপুর ও স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া। তিন প্রতিপক্ষই ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে বেশ এগিয়ে। সবকটি ম্যাচই বাংলাদেশ খেলবে জাকার্তার ৭৭ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধইনডোর ইউনি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের কো.ফাইনালে সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি
পরবর্তী নিবন্ধবাংলাদেশের প্রথম পদক নিশ্চিত করলেন জিন্নাত