আলোকসজ্জা বন্ধে সরকারি নির্দেশনা মানা হচ্ছে না

রাত ৮টার পরও খোলা থাকছে দোকানপাট

আজাদী প্রতিবেদন | শনিবার , ২৩ জুলাই, ২০২২ at ৫:০৮ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রামে রাত ৮টার পর দোকানপাট, শপিংমল বন্ধসহ কমিউনিটি সেন্টারে আলোকসজ্জা বন্ধে সরকারি নির্দেশনা কেউ মানছে না। গতকাল শুক্রবার এবং আগের দিন বৃহস্পতিবার নগরীর সিরাজউদ্দৌলা রোড, বহদ্দারহাট, হালিশহর নয়া বাজারসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে, রাত সাড়ে ৮টা থেকে ১০টার পরও কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ের আলোকসজ্জা চলছে। একই সাথে রাত ৮টার পর নগরীতে দোকানপাট, শপিংমলও বন্ধ রাখার নির্দেশনা এখনো কার্যকর হয়নি। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা ছিল রাত ৮টার পর দোকানপাট, শপিংমল খোলা রাখা যাবে না। খোলা থাকলে তাদের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে।
মন্ত্রণালয়ের এমন নির্দেশনার পরদিন থেকে গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত রাত ৮টার পর নগরীতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দোকানপাটে আলোকসজ্জা দেখা গেছে।
শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় চকবাজারের গুলজার মোড়ে বিভিন্ন খাবারের দোকানে এবং সিরাজউদ্দৌলা রোডে সব কমিউনিটি সেন্টারে এমন আলোকসজ্জার দৃশ্য দেখা গেছে। একই ভাবে হালিশহর নয়াবাজার মোড়েও একটি কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ের অনুষ্ঠানে আলোকসজ্জা করা হয়েছে।
এদিকে গত ১৮ জুলাই সোমবার সচিবালয়ে দেশে বিদ্যুৎ সাশ্রয় ইস্যুতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ-রাত ৮টার পর দোকানপাট, শপিংমল খোলা থাকলে তাদের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে বলে সবাইকে সর্তক করেছিলেন। কিন্তু প্রতিমন্ত্রীর এমন নির্দেশনার ৫দিন পরও চট্টগ্রামে সর্বত্র রাত ৮টার পর কমিউনিটি সেন্টার, খাবারের দোকানে কোথাও তা মানা হচ্ছে না।
উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে এখন দিনে এক থেকে দেড় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি দেখা দিয়েছে বলে পিডিবির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে। সেই ঘাটতি মেটাতে এলাকাভিত্তিক এক ঘণ্টার মতো লোডশেডিং করা হচ্ছে। সারাদেশের মতো চট্টগ্রামেও এলাকা ভিত্তিক লোডশেডিং শুরু হয়েছে। তবে জনগণ সচেতন হলে বিদ্যুৎ অনেক সাশ্রয় হবে বলে মনে করছেন পিডিবির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

পূর্ববর্তী নিবন্ধকয়েন দিয়ে টাওয়ার গিনেস বুকে আয়মান
পরবর্তী নিবন্ধলোডশেডিংয়ের পরের পরিকল্পনা সপ্তাহখানেক পর