দলীয় মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষরের সঙ্গে নির্বাচন কমিশন থেকে পাঠানো মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষরের মিল না থাকায় চট্টগ্রাম–৫ আসনের জাতীয় পার্টির একাংশের সংসদ সদস্য প্রার্থী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের বাতিল হওয়া প্রার্থিতা নির্বাচন কমিশনের আপিলেও ফিরে পাননি।
গতকাল বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানিতে আনিসুল ইসলাম মাহমুদের প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার আবেদন নামঞ্জুর করা হয়। এর ফলে তিনি আর নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। গতকাল নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানিতে চট্টগ্রামের আরও তিন প্রার্থীর প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার আপিল না মঞ্জুর করেছে নির্বাচন কমিশন। অন্যদিকে আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ৩ প্রার্থী। এর আগে ৩ জানুয়ারি সকালে চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে মনোনয়ন যাচাই–বাছাই কার্যক্রমের সময় আনিসুল ইসলাম মাহমুদের মনোনয়ন বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক বাতিল হওয়া মনোনয়ন ফিরে পাওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনে আপিল করলে গতকাল আপিল শুনানিতেও তিনি প্রার্থিতা ফিরে পাননি।
এতে কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে, দলীয় মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষরের সঙ্গে নির্বাচন কমিশন থেকে পাঠানো মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষর মিল না থাকায় চট্টগ্রাম–৫ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আনিসুল ইসলাম মাহমুদের বাতিল হওয়া প্রার্থিতা আপিল শুনানিতে টিকেনি। আপিলেও যাদের প্রার্থিতা বাতিল : গতকাল নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানিতে চট্টগ্রাম–৩ সন্দ্বীপ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী এম এ ছালাম, চট্টগ্রাম–১২ পটিয়া আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ও চট্টগ্রাম–৯ কোতোয়ালী আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলন কান্তি শর্মার মনোনয়ন বাতিল বহাল রয়েছে।
আপিল শুনানিতে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন যারা : এদিকে আপিল শুনানিতে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ৩ জন। তারা হলেন চট্টগ্রাম–১৪ চন্দনাইশ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মিজানুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম–২ ফটিকছড়ি আসনের খেলাফত মজলিসের প্রার্থী এইচ এম আশরাফ বিন ইয়াকুব এবং চট্টগ্রাম–২ ফটিকছড়ি আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী রবিউল হাসান।











