বায়তুশ শরফের মরহুম পীর বাহরুল উলুম হযরতুল আল্লামা শাহসূফী মাওলানা কুতুব উদ্দিন (রাহ.) ও কেন্দ্রীয় মসজিদের সাবেক খতিব হযরত মাওলানা নুরুল ইসলামের (রাহ.) ৬ষ্ঠ ওফাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল গত ২০ মে অনুষ্ঠিত হয়। বায়তুশ শরফ আনজুমনে ইত্তেহাদ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল হাফেজ মোহাম্মদ আমান উল্লাহর সভাপতিত্বে আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন বায়তুশ শরফ আদর্শ কামিল (অনার্স–মাস্টার্স) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা এএসএম ছলিমুল্লাহ, উপাধ্যক্ষ মাওলানা আমিনুল ইসলাম, মুহাদ্দিস মাওলানা মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ খালিদ, মাওলানা কাজী শিহাবুদ্দিন প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন বায়তুশ শরফ আনজুমনে ইত্তেহাদের কেন্দ্রীয় সহ–সম্পাদক মোহাম্মদ হারুন শেঠ, সহ–দফতর সম্পাদক অধ্যাপক জামাল উদ্দিন, সদস্য হারুন অর রশীদ, জাহাঙ্গীর আলম শাকিল, মাওলানা সিরাজুল হক নদভী, কেন্দ্রীয় পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ মুছা কাজেমী প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, শাহ মাওলানা মোহাম্মদ কুতুবউদ্দিন (রাহ.) ছিলেন প্রখ্যাত শায়খুল হাদীস, মুফাসসিরে কোরআন, পীরে তরিকত ও স্বভাবজাত উর্দু কবি। শাহসুফি মাওলানা কুতুবউদ্দিন (রাহ.) ছিলেন উর্দু সাহিত্যের একজন স্বভাবজাত কবি। তাঁর একাধিক উর্দু কাব্য বইয়ের মধ্যে ‘গুলহায়ে আকীদত’ উর্দু সাহিত্য ভান্ডারের এক অমূল্য সম্পদ। গ্রন্থটিতে বিভিন্ন বিষয়ের উপর স্বরচিত প্রায় ৫০০ দুর্লভ কবিতা স্থান পেয়েছে। অন্যদিকে বায়তুশ শরফ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব ও হযরত শাহ মাওলানা মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম (রাহ.) ছিলেন অত্যন্ত ভদ্র ও নম্র স্বভাবের মানুষ। তিন পার্বত্য এলাকায় (রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি) বায়তুশ শরফ কমপ্লেঙগুলোর মহাপরিচালক ছিলেন। তিনি রাঙামাটির লংগদু ও মাইনীমুখসহ বান্দরবানের পাহাড়ি এলাকায় অসংখ্য মসজিদ, এতিমখানা ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা ও তদারকি করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।











