পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে ৭ উইকেট হাতে নিয়ে ১৭৯ রানে এগিয়ে আছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে পাওয়া ২৭ রানের লিডের সঙ্গে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেটে ১৫২ রান করেছে টাইগাররা। বৃষ্টির কারণে চতুর্থ দিনের খেলা হয়েছে মোটে ৪৮.৪ ওভার।
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের তৃতীয় দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে বিনা উইকেটে ৭ রান করেছিল বাংলাদেশ। তখন ১০ উইকেট হাতে নিয়ে ৩৪ রানে এগিয়ে ছিল স্বাগতিকরা। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ২৭ রানের লিড পেয়েছিল।
চতুর্থ দিনে দলীয় ১৫ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ব্যক্তিগত ৫ রানে মোহাম্মদ আব্বাসের বলে এলবিডব্লিউ হন মাহমুদুল হাসান জয়। বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন আরেক ওপেনার সাদমান ইসলামও। তিনি ১০ রান করে হাসান আলির বলে সৌদ শাকিলের হাতে ক্যাচ দেন।
২৩ রানে ২ উইকেট হারানোর পর তৃতীয় উইকেটে ১০৫ রানের জুটি গড়েন মোমিনুল হক ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। পাকিস্তানের বোলারদের সামনে প্রতিরোধ গড়ে দিনের প্রথম সেশন শেষ করেন তারা। এ সময় ১২২ বলে ৭০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন দুই ব্যাটার। দুপুর ১টার দিকে বৃষ্টি শুরু হলে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। পরে বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে আবার খেলা শুরু হয়।
৩৭ রান নিয়ে ব্যাট করতে নেমে টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৭তম অর্ধশতক তুলে নেন মোমিনুল। তবে ব্যক্তিগত ৫৬ রানে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ১২০ বলে ৪ চারে ইনিংসটি সাজান মোমিনুল। ব্যক্তিগত ১৫ ও ৪৩ রানে জীবন পান তিনি।
দলীয় ১২৮ রানে মোমিনুল ফেরার পর ক্রিজে আসেন মুশফিকুর রহিম। শান্তর সঙ্গে ২৪ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে দিন শেষ করেন তিনি। আলো স্বল্পতায় নির্ধারিত সময়ের আগেই দিনের খেলা শেষ হয়। টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ অর্ধশতক তুলে নিয়ে ৬ চারে ৫৮ রানে অপরাজিত আছেন শান্ত। মুশফিক অপরাজিত ১৬ রানে। পাকিস্তানের হয়ে শাহিন আফ্রিদি, মোহাম্মদ আব্বাস ও হাসান আলি একটি করে উইকেট নেন।
দ্বিতীয় ইনিংসে ২৩ রানে দুই ওপেনারের বিদায়ের পর তৃতীয় উইকেটে ১০৫ রানের জুটি গড়েন বাংলাদেশের দুই ব্যাটার মোমিনুল হক ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। মোমিনুল ৫৬ রানে আউট হলেও, দিন শেষে ৫৮ রানে অপরাজিত আছেন শান্ত। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে বিনা উইকেটে ৭ রান করেছিল বাংলাদেশ। ১০ উইকেট হাতে নিয়ে ৩৪ রানে এগিয়ে ছিল টাইগাররা। প্রথম ইনিংস থেকে ২৭ রানের লিড পেয়েছিল বাংলাদেশ। দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ২ ও সাদমান ইসলাম শূন্য হাতে দিন শেষ করেছিলেন। চতুর্থ দিন ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলে দলীয় ১৫ রানে সাজঘরে ফিরেন জয়। ব্যক্তিগত ৫ রানে পাকিস্তানের পেসার মোহাম্মদ আব্বাসের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরত যান তিনি। বড় ইনিংস খেলতে এবারও ব্যর্থ হন সাদমান। ১০ রান করে পাকিস্তানের আরেক পেসার হাসান আলির বলে সৌদ শাকিলকে ক্যাচ দেন তিনি। ২৩ রানে ২ উইকেট পতনের পর প্রথম ইনিংসের মত বড় জুটির গড়ার চেষ্টা করেন মোমিনুল হক ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। পাকিস্তানের বোলারদের সামনে প্রতিরোধ গড়ে বিপদ ছাড়া দিনের প্রথম সেশন শেষ করেন তারা। এসময় ১২২ বলে ৭০ রানের অবি”িছন্ন জুটি গড়েন মোমিনুল ও শান্ত। বিরতির মাঝে দুপুর ১টায় বৃষ্টি শুরু হয়। এরপর বৃষ্টি কমলে বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে আবারও মাঠে গড়ায় টেস্ট। মোমিনুল ৩৭ রান নিয়ে খেলতে নেমে টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৭তম হাফ–সেঞ্চুরি তুলে নেন। হাফ–সেঞ্চুরির পর ব্যক্তিগত ৫৬ রানে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে মোহাম্মদ রিজওয়ানকে ক্যাচ দেন তিনি। ১২০ বল খেলে ৪টি চার মারেন মোমিনুল। ব্যক্তিগত ১৫ ও ৪৩ রানে ক্যাচ দিয়ে জীবন পেয়েছিলেন তিনি। শান্তর সাথে তৃতীয় উইকেটে ১০৫ রানের জুটি গড়েন মোমিনুল। দলীয় ১২৮ রানে মোমিনুল ফেরার পর ক্রিজে আসেন মুশফিকুর রহিম। শান্তর সাথে ৪৬ বলে ২৪ রানের অবি”িছন্ন জুটি গড়ে দিন শেষ করেন মুশফিক। আলো স্বল্পতায় আগেভাগেই শেষ হয় দিনের খেলা। টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ হাফ–সেঞ্চুরির স্বাদ নিয়ে ৬টি চারে অপরাজিত ৫৮ রান করেছেন শান্ত। তার সাথে ৩টি চারে ১৬ রানে অপরাজিত মুশফিক। আফ্রিদি, আব্বাস ও হাসান ১টি করে উইকেট নেন।














