চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রেললাইনের নগরীর মুরাদপুর সুন্নিয়া মাদ্রাসা এলাকা থেকে শমসেরপাড়া অংশ থেকে এখনো পানি কমেনি। এই অংশের রেল লাইনের উপর এখনো ৭ ইঞ্চি পানি জমে আছে। যার কারণে গতকালও চতুর্থদিনের মতো চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল বলে জানান রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা ফারহান মাহমুদ।
গতকাল রাতে তিনি আজাদীকে জানান, আজকেও (গতকাল শুক্রবার) চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রেল লাইনের ষোলশহর–জানআলী হাট সেকশনের মধ্যবর্তী সুন্নিয়া মাদ্রাসা থেকে শমসের পাড়া এলাকার এই অংশে ৭ ইঞ্চি পানি ছিল। রেল লাইন থেকে আরও ২/৩ ইঞ্চি পানি কমলে পরীক্ষা করে ট্রেন চালানো হবে।
এর আগে, দীর্ঘ ১১ ঘণ্টা চট্টগ্রাম ষোলশহর স্টেশনে আটকে থাকার পর গত ৭ জুলাই মঙ্গলবার রাত ১১টায় কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রা বাতিল করে ট্রেনটি চট্টগ্রাম স্টেশনে ফিরিয়ে নিয়ে যায় রেল কর্তৃপক্ষ। একই দিনে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটের প্রবাল ও সৈকত এক্সপ্রেসেরও যাত্রা বাতিল করা হয়। এরপর থেকে গত ৪দিন ধরে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ আছে। তবে ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী ট্রেনগুলো চট্টগ্রাম পর্যন্ত চলাচল করছে। গত মঙ্গলবার চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রেল লাইনের ষোলশহর–জানআলী হাট সেকশনের মধ্যবর্তী সুন্নিয়া মাদ্রাসা থেকে শমসের পাড়া এলাকার চার কিলোমিটার পর্যন্ত ভারী বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছিল।
এদিকে প্রবল বর্ষণ ও জোয়ারের পানির স্রোতে রেল লাইনের পাথর সরে গেছে কিনা বা কোথাও রেল লাইন দেবে গেছে কিনা পানি একেবারে সরে না গেলে বোঝা যাবে না বলে জানান রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা। রেল লাইন থেকে পাথর সরে গেলে বা লাইন দেবে গেলে তা পুনরায় মেরামত করার পর ট্রেন চালানো সম্ভব হবে বলে জানান রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা।












