বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাহেদুল হাসান বলেন, চুল্লির (রিয়্যাক্টর) অভ্যন্তরীণ চাপ ও তাপমাত্রা বাড়ানোর মধ্য দিয়ে অপারেশনের প্রথম পর্ব গতকাল দুপুরে শুরু করা হয়েছে। এটি মূলত ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন প্রযুক্তিগত ও নিরাপত্তা পরীক্ষা চালানোর একটি প্রাথমিক ধাপ। খবর বিডিনিউজের।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ–বায়েরা থেকে ‘স্টেজ–সি’ বা পরীক্ষামূলক উৎপাদন পর্যায়ের অনুমোদন পাওয়ার পর, দুপুর ১২টার কিছু পরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়। কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করছেন, সার্বিক পরীক্ষা–নিরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হলে চলতি বছরের শেষ নাগাদ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে এই কেন্দ্রের বিদ্যুৎ। তারা বলেন, ‘স্টেজ–সি’ ধাপে চুল্লির শক্তিমাত্রা (রিয়্যাক্টর পাওয়ার) ধাপে ধাপে বাড়ানো হবে। তৈরি হওয়া বাষ্পের মাধ্যমে টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ তৈরি করা হবে।
এনপিসিবিএল প্রধান বলেন, এই প্রক্রিয়ায় রিয়্যাক্টর, প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের সিস্টেম, টারবাইন–জেনারেটর, ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেম, ইনস্ট্রুমেন্টেশন অ্যান্ড কন্ট্রোল এবং সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার সমন্বয় পরীক্ষা করা হচ্ছে। শক্তিমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পাওয়ার প্ল্যান্টের প্রধান প্রধান কাঠামোর কর্মক্ষমতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন প্রকৌশলীরা। তবে কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়া মানেই এখনই জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ পৌঁছে যাওয়া নয়। ‘স্টেজ–সি’ পর্যায়ের সব কয়টি ধাপ সফলভাবে উৎরাতে পারলে তবেই গ্রিডে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া সম্ভব হবে।











