মেয়াদের অর্ধেকের বেশি পার হলেও কাজের বাকি ৭০ শতাংশ

বাঁশখালীতে ৪৯৮ কোটি টাকার বেড়িবাঁধ প্রকল্প

কল্যাণ বড়ুয়া, বাঁশখালী | রবিবার , ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ at ৮:১৭ পূর্বাহ্ণ

বাঁশখালী উপকূলীয় বেড়িবাঁধ সংস্কারে ৪৯৮ কোটি ২৯ লাখ টাকার প্রকল্পের কাজ চলছে ধীরগতিতে। ২০২৪ সালের জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত হলেও এখন পর্যন্ত কাজের অগ্রগতি মাত্র ৩০ শতাংশ। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এই তথ্য জানিয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বেড়িবাঁধের কাজ শেষ হওয়া নিয়ে স্থানীয় মানুষের মধ্যে সংশয় দেখা দিয়েছে।পাউবো সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় বর্তমানে বেড়িবাঁধের ৭ দশমিক ৫১ কিলোমিটার বাঁধ পুনরাকৃতিকরণ ও ঢাল সংরক্ষণের কাজ চলছে। এর মধ্যে খানখানাবাদ ইউনিয়নে ২ হাজার ৬১০ মিটার, বাহারছড়া ইউনিয়নে ১ হাজার মিটার, ছনুয়া ইউনিয়নে ২ হাজার ৮০০ মিটার এবং সাধনপুর ইউনিয়নে ১ হাজার ১০০ মিটার নদী তীর সংরক্ষণ কাজ করা হচ্ছে। জানা যায়, খানখানাবাদ ইউনিয়নে ২ হাজার ৬১০ মিটারের বাঁধ পুনরাকৃতিকরণ ও ঢাল সংরক্ষণ কাজ ওয়েস্টান, পিডিএল (জেবি), কেএসএ–জামিল ইকবাল (জেবি), এইচবি, এনটি (জেবি) ঠিকাদার, বাহারছড়া ইউনিয়নে ১ হাজার মিটারের কাজ এইচবি, এনটি (জেবি) ঠিকাদার, ছনুয়া ইউনিয়নে ২ হাজার ৮০০ মিটারের কাজ পিডিএলও আরএফএল ঠিকাদার এবং সাধনপুর ইউনিয়নে ১ হাজার ১০০ মিটার নদী তীর সংরক্ষণ কাজ আরএফএল ওএইচবি–টিআই জেবি ঠিকাদার বাস্তবায়ন করছে।

বাঁশখালী পানি উন্নয়ন উপ–বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী অনুপম পাল বলেন, মাঠপর্যায়ে কাজের মান ও তদারকি বজায় রাখতে একজন এসডিই, তিনজন এসও, তিনজন কার্য সহকারী, একজন সার্ভেয়ার ও তিনজন আউটসোর্সিং সদস্যসহ মোট ১১ জন নিয়োজিত আছেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজের মান রক্ষা করা হচ্ছে। তবে এ পর্যন্ত কাজের অগ্রগতি মাত্র ৩০ শতাংশ।

এর আগে ২০১৫ সালেও বাঁশখালী বেড়িবাঁধের জন্য একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। শুরুতে ২০১৫ সালের মে থেকে ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদ ধরে ২০৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। পরে নির্মাণসামগ্রীর দাম বৃদ্ধি ও ঠিকাদারদের আপত্তির মুখে ওই বছরই বরাদ্দ বাড়িয়ে ২৫১ কোটি ২৯ লাখ ৮৬ হাজার টাকা অনুমোদন দেয় সরকার। পরবর্তীতে তা আরও বৃদ্ধি করে মোট ২৯৩ কোটি টাকা করা হয়েছিল।

পূর্ববর্তী নিবন্ধরাজনৈতিক দলগুলোকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে
পরবর্তী নিবন্ধপোলিও মুক্ত বিশ্ব রোটারি ইন্টারন্যাশনালের অঙ্গীকার