মুশফিকের নেতৃত্বের রেকর্ড ছুঁলেন শান্ত

স্পোর্টস ডেস্ক | বুধবার , ১৩ মে, ২০২৬ at ৭:৫৯ পূর্বাহ্ণ

বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসের রেকর্ডের একটি পাতায় এতদিন কেবলই ছিলেন মুশফিকুর রহিম। সেই কীর্তিতে পাশে উঠে এলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। মাঠে মুশফিককে স্বাক্ষী রেখেই অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি টেস্ট জয়ের রেকর্ড স্পর্শ করলেন তিনি। মিরপুরে মঙ্গলবার টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারায় বাংলাদেশ। অধিনায়ক হিসেবে এটি শান্তর সপ্তম টেস্ট জয়। ২০১১ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশকে ৩৪ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে সাতটি জয়ের স্বাদ পেয়েছিলেন অভিজ্ঞ কিপারব্যাটসম্যান মুশফিক। শান্ত তাকে ছুঁলেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের দিনবদলের বিজ্ঞাপন হয়ে। মুশফিকের অর্ধেক ম্যাচ খেলেই তিনি স্পর্শ করলেন রেকর্ড। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে শান্ত নেতৃত্বে প্রথম টেস্ট জেতে বাংলাদেশ। সিলেটে নিউ জিল্যান্ডকে ওই ম্যাচে ১৫০ রানে হারায় স্বাগতিকরা। পরের বছরের অগাস্টনভেম্বরে পাকিস্তানকে তাদের মাটিতেই হোয়াইটওয়াশ করে বাংলাদেশ। রাওয়ালপিন্ডিতে দুই ম্যাচে যথাক্রমে ১০ ও ৬ উইকেটে জেতে তারা। গত বছরের এপ্রিলে চট্টগ্রামে জিম্বাবুয়েকে ইনিংস ও ১০৬ রানে হারায় বাংলাদেশ। আর গত নভেম্বরে সিলেট ও মিরপুর টেস্টে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে যথাক্রমে ইনিংস ও ৪৭ রানে এবং ২১৭ রানে জেতে বাংলাদেশ। এই তালিকায় পরের নামটি সাকিব আল হাসান। দেশের সর্বকারের সেরা ক্রিকেটারের নেতৃত্বে ১৯ টেস্ট খেলে চারটি জিতেছে বাংলাদেশ। আর মুমিনুল হকের অধিনায়কত্বে ১৭ টেস্টে বাংলাদেশের জয় তিনটি। পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে নেতৃত্বে রেকর্ড গড়া শান্তর ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্ব রেকর্ড স্পর্শ করার হাতছানি ছিল। তিনবার টেস্টে জোড়া সেঞ্চুরি করে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখানোর সুযোগ ছিল তার সামনে। কিন্তু প্রথম ইনিংসে ১০১ রান করা বাঁহাতি ব্যাটসম্যান দ্বিতীয় ইনিংসে অল্পের জন্য পাননি তিন অঙ্কের উষ্ণ ছোঁয়া। ৮৭ রানে আউট হয়ে যান তিনি। এক টেস্টে জোড়া সেঞ্চুরি তিন দফায় করেছেন তিন ক্রিকেটার। সবার আগে করেছিলেন কিংবদন্তি ভারতীয় ব্যাটসম্যান সুনিল গাভাস্কার। এরপর তার সঙ্গী হন অস্ট্রেলিয়ান কিংবদন্তি রিকি পন্টিং। সবশেষ এই কীর্তি গড়েন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার।

পূর্ববর্তী নিবন্ধবাংলাদেশ সফরে অস্ট্রেলিয়া দলে নতুন মুখ স্কট ও ডেভিস
পরবর্তী নিবন্ধসিলেট টেস্টে বাংলাদেশ দলে পরিবর্তন নেই