চন্দনাইশের ২টি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়নের প্রায় ১০ হাজার নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেছেন। গতকাল শুক্রবার বিকেলে উপজেলার হাশিমপুর বুলার তালুক এলাকায় আয়োজিত এক যোগদান অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম–১৪ আসনের সাংসদ জসীম উদ্দীন আহমেদের হাত ধরে এলডিপির এসব নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেন।
উপজেলা এলডিপির সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, পৌরসভার সিনিয়র সহ–সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী, সাধারণ সম্পাদক আকতার উদ্দিন, গণতান্ত্রিক স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক শাহরিয়ার হোসেন ইমরান, উপজেলা এলডিপির সহ–সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান আবু ইউসুফসহ পৌরসভা, ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে এলডিপির এসব নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেন।
যোগদানের এ ঘটনা চন্দনাইশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম–১৪ (চন্দনাইশ–সাতকানিয়া আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য জসীম উদ্দীন আহমেদ ঘোষণা দেন, আজ থেকে চন্দনাইশে এলডিপি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। তার এই ঘোষণার পর সমাবেশস্থলে উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়। মুহূর্তেই স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে এটিকে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক যোগদান অনুষ্ঠান হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিএনপিতে যোগদানকৃত চন্দনাইশ উপজেলা এলডিপির সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমি ছাত্রদল করেছি, বিএনপির জন্য তিনবার জেল খেটেছি। ২০ থেকে ২৫টি মামলার শিকার হয়েছি। আমরা বিএনপি নামক মহাসড়কে ছিলাম। কিন্তু আমাদের মুরুব্বি আমাদেরকে একটা গলির ভিতরে নিয়ে গেছিল। ২০ বছর আমরা গলির ভিতরে ঘুরাফেরা করছি। কোনো কুল–কিনারা না পেয়ে বিএনপি নামক মহাসড়কে আবার ফিরে এসেছি।
উপজেলার বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এ হাশেম রাজু, বিএনপি নেতা আবদুল মাবুদ, মোরশেদুল আলম চৌধুরী মুন্না, সাবেক কমিশনার নুরুল কবির, সিরাজুল ইসলাম, আবদুর রওফ, নওশা মিয়া, নুর মোহাম্মদ, সাবেক কমিশনার মাসুদুর রহমান মাসুদ, শহীদুল ইসলাম, নেছার, তরিকুল ইসলাম টুটুল প্রমুখ।












