মালয়েশিয়ার কাছে ৩–০ গোলের হার দিয়ে ফিফা আসিয়ান কাপ শুরু করে বাংলাদেশ। এবার দ্বিতীয় ম্যাচে আজ সোমবার সিঙ্গাপুরের মুখোমুখি হবে টমাস ডুলির দল। জাকার্তার গ্যালোরা বাং কার্নো স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায়। প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই বাংলাদেশের। সিঙ্গাপুরও তাদের প্রথম ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার কাছে হেরেছে ২–০ গোলে। ফলে দুই দলের কাছেই ম্যাচটি হয়ে উঠেছে টিকে থাকার লড়াই। ফিফা র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে ৩৩ ধাপ এগিয়ে সিঙ্গাপুর। নিকট অতীতে দলটির বিপক্ষে দুটি ম্যাচও খেলেছে হামজা–শামিতরা। এশিয়ান কাপের বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে দুই ম্যাচেই হেরেছিল হাভিয়ের ক্যাবরেরার শিষ্যরা। একটিতে ২–১, অন্যটিতে ১–০ গোলে। ছয় মাস আগের সেই দুই হারের ক্ষত এখনো শুকায়নি বাংলাদেশের। এবার অবশ্য নতুন কোচ টমাস ডুলির অধীনে ভিন্ন এক আসরে সিঙ্গাপুরের মুখোমুখি হচ্ছে দলটি। সেই ম্যাচ নিয়ে আশাবাদী দলের অন্যতম তারকা শামিত সোম। কানাডাপ্রবাসী এই মিডফিল্ডার বর্তমানে খেলছেন নিউইয়র্ক কসমসে। সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে আগের ম্যাচগুলোর অভিজ্ঞতা এবং ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে তাদের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান শামিত, ‘ওদের (সিঙ্গাপুর) এ বছরই ম্যাচ খেলেছি। বলা যায়, এক বছরের মধ্যে দুই ম্যাচ। এটাও দেখেছি, এই টুর্নামেন্টে ওরা ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে কেমন খেলেছে। আমরা সেগুলো থেকে শিখছি, বুঝতেছি। যা মাঠে প্রয়োগ করতে পারবো। আমরা নিজেদের তৈরি করছি, যাতে ভালো একটা রেজাল্ট পেতে পারি। আমরা দুই ম্যাচ হেরেছি। এবার সে প্রতিশোধের একটা ইচ্ছা আছে।’
শামিতের ভাষায়, ‘ওদের ফুটবলে ভালো একটা স্ট্রাকচার আছে। দলটিতে দুই–তিনজন খেলোয়াড় আছেন, তারা খুবই ড্যাঞ্জারাস। তবে আমরা ওইটা আগের থেকেই জানি। নতুন কোচের অধীনে এই ম্যাচে ভালো করতে পারবো বলেই আশা করি।’ মালয়েশিয়ার বিপক্ষে বড় হারের পর হতাশা লুকাননি শামিত। তবে সেই ম্যাচ নিয়ে পড়ে না থেকে এখন পুরো মনোযোগ সিঙ্গাপুর ম্যাচে। বললেন, ‘আমরা যেভাবে খেলসি মালয়েশিয়ার বিপক্ষে, তাতে খুশি তো হওয়ার কিছু নেই। এখন মূল কথা হলো, উই হ্যাভ টু মুভ অন টু দ্য নেঙট গেম। মেইন জিনিস হলো কালকে। সো এখন সবার ফোকাস আছে সিঙ্গাপুরের ম্যাচে।’বাংলাদেশের সামনে তাই সমীকরণ পরিষ্কার; হার মানেই টুর্নামেন্টে টিকে থাকার পথ কঠিন হয়ে যাওয়া। আর ছয় মাস আগের দুই হারের জবাব দেওয়ার তাগিদও রয়েছে শামিতদের। নতুন কোচের অধীনে সেই তাগিদ মাঠে কতটা কাজে লাগে, সেটিই দেখার।










