বাঁশখালী একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদ, যার উপর দিয়ে প্রতিদিন এস আলম, এস আর–এর মতো গাড়ি চকরিয়া, মগনামা ও কক্সবাজারের পথে চলাচল করে। অথচ এই গাড়িগুলো বাঁশখালীর যাত্রীদের জন্য সহজলভ্য নয়। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় পরিবহন সমিতির কিছু নীতিমালার কারণে বাঁশখালীর যাত্রীদের এসব গাড়িতে উঠতে নিরুৎসাহিত বা নিষিদ্ধ করা হয়। এটি এক ধরনের বৈষম্য, যা সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। পরিবহন ব্যবস্থা মূলত জনসেবামূলক খাত। কিন্তু যখন একটি নির্দিষ্ট এলাকার মানুষকে সেই সেবার বাইরে রাখা হয়, তখন তা অন্যায় ও অনৈতিক হয়ে দাঁড়ায়। বাঁশখালীর সাধারণ যাত্রীরা প্রতিনিয়ত এই ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। একদিকে উন্নত ও দ্রুতগামী পরিবহন তাদের এলাকার ওপর দিয়ে চলে যাচ্ছে, অন্যদিকে তারা সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ভাড়া নিয়ে অনিয়ম। স্বল্প দূরত্বে যাত্রার ক্ষেত্রেও কখনো কখনো অস্বাভাবিক ভাড়া দাবি করা হয়, যা সাধারণ যাত্রীদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে। পাশাপাশি, “সুপার সার্ভিস” নামে পরিচিত এসব গাড়ি অনেক সময় বাঁশখালী এলাকায় লোকাল গাড়ির মতো যাত্রী ওঠানো–নামা করে, যা সেবার মান ও শৃঙ্খলা উভয়কেই ক্ষতিগ্রস্ত করে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন পরিবহন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার। স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবহন কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা। একই সঙ্গে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির কার্যকর ভূমিকা অপরিহার্য। তিনি যদি উদ্যোগ নেন, তাহলে যাত্রী হয়রানি অনেকাংশে কমে আসবে।
মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম আকিব
ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়













