বাঁশখালীর জলকদর খালের দখল ও ভরাট বন্ধে হাই কোর্টের নির্দেশ

বাঁশখালী প্রতিনিধি | বুধবার , ৭ ডিসেম্বর, ২০২২ at ১০:০৬ পূর্বাহ্ণ

বাঁশখালী উপজেলার মাঝ দিয়ে প্রবাহিত জলকদর খালের অবৈধ দখল ও ভরাট বন্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট। গত সোমবার বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের এবং বিচারপতি মোহাম্মদ আলির ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

জানা যায়, জলকদর খাল ভরাট করে ভবন নির্মাণের বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের ওপর ভিত্তি করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিচ ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) জনস্বার্থে রিট পিটিশন দায়ের করলে শুনানি শেষে আদালত এই নির্দেশ দেয়।

এইচআরপিবির পক্ষে আদালতে রিট পিটিশন দাখিল করেন অ্যাডভোকেট মো. ছারওয়ার আহাদ চৌধুরী ও অ্যাডভোকেট রিপন বাড়ৈ। পিটিশনে পরিবেশ সচিব, পানি উন্নয়ন সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, পানি উন্নয়ন বোর্ড, জেলা প্রশাসক ও চট্টগ্রামের পুলিশ সুপারসহ ১২ জনকে বিবাদী করা হয়। এইচআরপিবির পক্ষে আদালতে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ, অ্যাডভোকেট একলাছ উদ্দিন ভূঁইয়া ও অ্যাডভোকেট সঞ্জয় মন্ডল। অপরদিকে সরকার পক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল আবুল বাশার।

অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ বলেন, শুনানি শেষে হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ ৪ সপ্তাহের রুল জারি করে জলকদর খাল ও জায়গা দখল করে ভরাট ও ভবন নির্মাণ বন্ধে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন বে-আইনি ঘোষণা করা হবে না এবং খালের অভ্যন্তরে থাকা সব অবৈধ দখল ও স্থাপনা উচ্ছেদের কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না তা বিবাদীদের জানাতে বলেছেন আদালত।

একই সঙ্গে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক, বাঁশখালীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ ৬ জনকে দুই সপ্তাহের মধ্যে কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট দাখিল করার নির্দেশ দেন। এছাড়া আদালত জেলা প্রশাসক, নির্বাহী প্রকৌশলী চট্টগ্রাম ও বাঁশখালীর ইউএনওকে জলকদর খালের সিএস, আরএস অনুসারে জরিপ করে দখলদারদের তালিকাসহ ২ সপ্তাহের মধ্যে আদালতে অ্যাভিডেভিট করে রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ দেন।