জেলে সমপ্রদায়সহ প্রান্তিক সকল জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নই আমার অঙ্গীকার। বর্তমান সরকার শোষিত–বঞ্চিত মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছে। এমনকি চলতি অর্থবছরের বাজেটেও নারী, শিশু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর টেকসই উন্নয়নের রূপরেখা স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। আগামী ৫ বছরের মধ্যে দেশের জেলে সমপ্রদায়ের সামগ্রিক জীবনমানে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন ঘটবে এবং চট্টগ্রামের জেলেরা এর সুফল সবার আগে পাবেন।
গত শুক্রবার নগরীর হালিশহরের রাণী রাসমণি ঘাটে স্থানীয় জেলে সমপ্রদায়ের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম–১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান এসব কথা বলেন। মতবিনিময়কালে সাঈদ আল নোমান এমপি এলাকার কয়েকশ জেলে পরিবারের সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং তাদের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবির কথা শোনেন।
জেলেদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে জেলে সমপ্রদায় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুফল পেতে শুরু করবে। পিছিয়ে পড়া, ঝুঁকিতে থাকা ও কষ্টে থাকা জনগোষ্ঠীর পাশে আমি আছি এবং থাকব। তাদের ছেলেমেয়েদের শিক্ষা ও সুচিকিৎসার জন্য ইতোমধ্যে আমি হালিশহরে একটি সরকারি হাসপাতাল ও একটি কালচারাল সেন্টার প্রতিষ্ঠার দাবি সংসদে উত্থাপন করেছি এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটার পাঠিয়েছি। এই রাণী রাসমণি ঘাটের দৃশ্যপটও পাল্টে যাবে। আগামীতেও যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা সংকটে একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে সবসময় আমাকে আপনাদের পাশে পাবেন। আপনাদের সুখ–দুঃখ, ভালো–মন্দের খেয়াল রাখা আমার দায়িত্ব। চাঁদাবাজি ও অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে সাঈদ আল নোমান বলেন, কাউকে কোনো ধরনের চাঁদা দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। আমরা চাঁদাবাজি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করেছি। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।










