স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রস্তুতি শেষ করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। ধাপভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করে চলতি মাসে তফসিল ঘোষণা করা হবে। সেক্ষেত্রে নভেম্বরের শুরুতে ভোটের সময় নির্ধারণ করা হতে পারে। গত শুক্রবার নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি আমাদের শেষ পর্যায়েই এখন। তফসিল ঘোষণার অপেক্ষা। আমরা এখন পর্যন্ত কমিশন নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি ইউনিয়ন পরিষদ দিয়ে ভোট শুরু করা যাবে।’ খবর বিডিনিউজের।
ইতোমধ্যে ভোটার তালিকা ও ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত হয়েছে। প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তার প্যানেলও প্রস্তুত করা হচ্ছে। আচরণবিধির গেজেট হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনা বিধি ও আইন সংশোধনের কিছু সুপারিশও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আগামী সপ্তাহে ইউনিয়ন পরিষদ নিয়ে পর্যালোচনায় বসতে যাচ্ছে নির্বাচন ম পৃষ্ঠার ৩য় কলাম
কমিশন। সহিংসতামুক্ত নির্দলীয় ভোট করতে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মতামত নিতে অংশীজন, আইনশৃঙ্খলা প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়ের চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।
আগামী সপ্তাহে একটা কর্মপরিকল্পনা দেওয়ার প্রত্যাশা করে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘কয়টা ফেজ (ধাপ) হবে, প্রথম ফেজে কয়টা হবে ও কোন ইউনিয়নগুলো হবে, দ্বিতীয় ফেজে কয়টা হবে, কখন হবে, এসবের বিস্তারিত। সকল ইউনিয়নকে নিয়ে এই কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করা হবে। এ মাসের ভেতরেই সুনির্দিষ্টভাবে বলতে পারব তফসিল; আর ভোট বার্ষিক পরীক্ষার আগে নভেম্বরের শুরুতে।’
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে গত ২৭ অগাস্ট সিইসি এএমএম নাসির উদ্দিন সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরে তফসিল দিয়ে নভেম্বরের শেষে ভোট করার পরিকল্পনার কথা বলেছেন।












