প্রজন্ম পরম্পরায় আলোকিত মানুষ উপহার দেয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে

সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়ে আইআইইউসি ভিসি

আজাদী প্রতিবেদন | বৃহস্পতিবার , ৫ মার্চ, ২০২৬ at ১১:২৮ পূর্বাহ্ণ

আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (আইআইইউসি) চট্টগ্রামের ভাইস–চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী আজাদী বলেছেন, আইআইইউসি সর্বপ্রথম চট্টগ্রামে সাফল্যের সাথে আন্তর্জাতিক মানের উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছে। কোরআনের সাথে সম্পর্কহীন জ্ঞান কোনো জ্ঞান নয়–এই বিশ্বাসের অনুগামী হয়ে জ্ঞানের সঙ্গে নৈতিকতার সমন্বয় ঘটিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশাত্মবোধ, মানবতাবোধ, সততা, বিজ্ঞানমনস্কতা, দক্ষতা এবং জীবনধর্মীতা সৃষ্টি করা, ধর্ম ও বিজ্ঞানের আলোকে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১৯৯৫ সালে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। সামাজিক কল্যাণ ও উন্নয়নে আগ্রহী, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী স্বনামধন্য জ্ঞানী–গুণী কিছু ব্যক্তির উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

তিনি গতকাল বুধবার আইআইইউসির উদ্যোগে সাংবাদিকদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিল ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। লালখান বাজারস্থ একটি রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ কাসেম। সিনিয়র সহকারী পরিচালক মোসতাক খন্দকারের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আইআইইউসি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান আ ন ম শামসুল ইসলাম, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য প্রফেসর আহাসান উল্লাহ, বোর্ড অব ট্রাস্টিজ সদস্য আনোয়ার সিদ্দিক চৌধুরী, প্রো ভাইস–চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ হাসমত আলী, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।

ড. মোহাম্মদ আলী আজাদী বলেন, আমরা বিশ্বাস করি জবাবদিহিতা ছাড়া মানুষের সুশৃঙ্খল জীবনযাপন অসম্ভব। আমাদের সার্বক্ষণিক সর্বপ্রকার কর্ম কারো পক্ষে সম্ভব না হলেও একজন মনিটরিং করছেন। তিনি হলেন সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী মহান আল্লাহ। আমরা তার কাছে জবাবদিহিতায় বিশ্বাসী। এই পবিত্র রমজান মাস সেই জবাবদিহিতার অনুভুতিকে জাগ্রত করার মাস। আল্লাহভীতি ও তাকওয়ার প্রশিক্ষণের মাস। এই জবাবদিহিতার অঙ্গীকার নিয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রজন্ম পরম্পরায় শিক্ষার আলোকে আলোকিত মানুষ উপহার দেয়ায় আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। আশা করছি আমাদের এই কল্যাণমুখী জ্ঞানযাত্রায় সাংবাদিকদের সবসময় পাশে পাবো।

তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষায় গবেষণাকে আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকি। গবেষণা কাজকে বিশেষভাবে প্রমোট করার জন্য সেন্টার ফর রিসার্চ এন্ড পাবলিকেশন্স (সিআরপি) নামে আলাদা একটি ডিভিশন রয়েছে। আমরা এ পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের শিক্ষাবিদ ও গবেষকদের অংশগ্রহণে সফলভাবে ১৮টি ইন্টারন্যাশনাল একাডেমিক কনফারেন্সের আয়োজন করেছি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে বিশ্বের স্বনামধন্য ২৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সমঝোতা স্মারক রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, উচ্চ শিক্ষায় ইচ্ছুক দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। প্রতিবছর দরিদ্র মেধাবী ছাত্র–ছাত্রীদেরকে ৭ কোটি টাকার অধিক আর্থিক সুবিধা এবং বৃত্তি প্রদান করা হয়।

পূর্ববর্তী নিবন্ধসাবেক মেয়র মনজুর আলমের ইফতার ও সেহেরি সামগ্রী বিতরণ
পরবর্তী নিবন্ধফুটবল ও এ্যাথলেটিক্স প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে জেলা ক্রীড়া অফিসের জার্সি বিতরণ