কক্সবাজারের পেকুয়ায় আকস্মিক ঝড়ো হাওয়ায় অর্ধশতাধিক বসতবাড়ি, কয়েকটি দোকান ও অস্থায়ী স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ সময় গাছপালা ভেঙে পড়ার পাশাপাশি বিদ্যুতের তার ও খুঁটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঝড়ের সময় বজ্রপাতে একজনসহ অন্তত ১০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ দমকা বাতাসের সঙ্গে বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। কয়েক মিনিটের মধ্যে বাতাসের তীব্রতা বেড়ে গেলে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় অনেক বসতঘর ও দোকানের টিনের চালা ও বেড়া উড়ে যায়। বিভিন্ন স্থানে গাছের ডালপালা ভেঙে সড়কে পড়ে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়।
বজ্রপাতে গুরুতর আহত হয়েছেন রাজাখালী ইউনিয়নের বকসিয়াঘোনা এলাকার মৃত নজির আহমদের ছেলে আবুল হোসেন। তাকে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যায় পাশের একটি খালে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতের শিকার হন তিনি।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মগনামা ইউনিয়নের কাটাপাড়ি ব্রিজসংলগ্ন বাইন্যাঘোনা এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ১০টি দোকান ও বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কয়েকটি দোকান ও বসতঘরের টিনের চালা ও বেড়া উড়ে গিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দূরে বিদ্যুতের লাইনের ওপর পড়ে। এতে ওই এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অর্ধশতাধিক বসতবাড়ি, কয়েকটি দোকান ও অস্থায়ী স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। ঝড়ের সময় প্রবল বাতাস ও বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে মানুষজন নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছুটে যান। অনেক পরিবারের ঘরের চালা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তারা সাময়িক দুর্ভোগে পড়েছেন। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গাছের ডাল ভেঙে পড়ে সড়কে যান চলাচলেও বিঘ্ন সৃষ্টি হয়।












