শিক্ষার্থীরাই একটি জাতির ভবিষ্যৎ কর্ণধার। তাদেরকে গড়ে তুলতে মানসম্পন্ন শিক্ষার পাশাপাশি পরীক্ষার খাতার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা আবশ্যক। একজন শিক্ষার্থী ভবিষ্যতের জন্য কতটা প্রস্তুত তা যাচাই করার একমাত্র মানদণ্ড হলো পরীক্ষা। আর পরীক্ষার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো খাতা মূল্যায়ন পদ্ধতি। শুধু উত্তরপত্রে নম্বর প্রদান করাকেই খাতা মূল্যায়ন বলে না; মূলত খাতা মূল্যায়ন হলো একজন শিক্ষার্থীর পরিশ্রম, একাগ্রতা আর অধ্যবসায়কে মূল্যায়ন করার নামান্তর। খাতা মূল্যায়নে দায়িত্বপ্রাপ্ত কিছু কিছু শিক্ষকদের উদাসীনতা, আন্তরিকতার অভাব এবং দায়সারা ভাবের জন্য অনেক পরিশ্রমী ও অধ্যবসায়ী শিক্ষার্থী যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও প্রাপ্য নম্বর পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয় আবার অনেক শিক্ষার্থী কম পরিশ্রম করেও বেশি নম্বর পেয়ে থাকে। খাতা মূল্যায়নে গড়িমসি একজন শিক্ষার্থীর দীর্ঘদিনের পরিশ্রমকে ধূলিসাৎ করে দেয়। এই অসহনীয় দুরবস্থা লাঘবে এবং মেধার সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের জন্য নিয়মিত আধুনিক ও নৈতিক প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা আবশ্যক। পাশাপাশি খাতা মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত শিক্ষকদের উপযুক্ত পারিশ্রমিক ও পর্যাপ্ত সময় নিশ্চিত করতে হবে।
আশিক বিন আলম সোহাগ
শিক্ষার্থী, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ,
চট্টগ্রাম কলেজ।











