গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী ও তিন মেয়েসহ পাঁচজনকে নৃশংসভাবে হত্যার পর পালিয়ে যাওয়া ফোরকান মোল্লা (৪০) আত্মহত্যার জন্য পদ্মা নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন। এরপর তাকে আর পাওয়া যায়নি। পুলিশের ধারণা, নদীতে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে গাজীপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শরিফ উদ্দিন তার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং করে এ তথ্য জানান।
গত ৮ মে রাতে কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা এলাকার ভাড়া বাসায় স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালককে হত্যা করে পালিয়ে যান ফোরকান। তিনি প্রথমে খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে খাওয়ান ওই পাঁচজনকে।
পরে তারা ঘুমিয়ে পড়লে গভীর রাতে স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালককে ধারালো চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন আসামি। পালিয়ে যাওয়ার পর স্বজনদের ফোনকল করে হত্যার কথা জানান ফোরকান। তিনি গোপালগঞ্জ সদর থানার মেরী গোপীনাথপুর এলাকার আতিয়ার রহমান মোল্লার ছেলে। ফোরকান পেশায় প্রাইভেটকার চালক ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের শিকার পাঁচজন হলেন তার স্ত্রী শারমিন খানম (৩৫), তিন মেয়ে মিম (১৪), উম্মে হাবিবা ওরফে মারিয়া (৮) ও ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া (১৮)। খবর বাংলানিউজের।
ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার জানান, পাঁচ খুনের ঘটনার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত ১১ মে ফোরকান মোল্লার মোবাইল ফোনটি মেহেরপুর সদর থানা এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।













