জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের ক্লেরিক্যাল সুপারভাইজার ও সাবেক সিবিএ সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনকে ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি তাকে আড়াই কোটিরও বেশি টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরো ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
গতকাল চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত না থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। দুদক পিপি কবির হোসাইন দৈনিক আজাদীকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় সিবিএ নেতা নাছিরকে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ২৬(২) ধারায় ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং একই আইনের ২৭(১) ধারায় ৩ বছরের কারাদণ্ড, ২ কোটি ৭২ লাখ ৬১ হাজার ৬৭৩ টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরো ১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। দুটি ধারার সাজা একসাথে কার্যকর হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়। আদালতসূত্রে জানা যায়, দুদকে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ২ কোটি ১৬ লাখ ৫০ হাজার ৭৬৭ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন ও মিথ্যা তথ্য প্রদান এবং আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণভাবে ২ কোটি ৭২ লাখ ৬১ হাজার ৭৭৩ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ভোগ দখলে রাখার অপরাধ করেছেন আসামি মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ২০২৩ সালের ২ নভেম্বর দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম–১ এর তৎকালিন উপসহকারী পরিচালক সবুজ হোসেন বাদী হয়ে নিজ কার্যালয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম–১ এর উপসহকারী পরিচালক আপেল মাহমুদ বিপ্লব নাছির উদ্দিনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। এরই ধারাবাহিকতায় একই বছরের ২০ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে চার্জগঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়।












