চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘ সময় ধরে পড়ে থাকা অখালাসকৃত ৪৪২ কন্টেনার বিভিন্ন ধরণের পণ্য অনলাইন নিলামে (ই–অকশন) তুলেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। দুই টেন্ডারসেলে ২১০ লটে এসব পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে। এরমধ্যে টেন্ডারসেল ৯/২০২৬ এর জন্য দরপত্র দাখিলের সময় শেষ হচ্ছে আগামীকাল বিকাল ৩ টা পর্যন্ত। এছাড়া টেন্ডারসেল ১০/২০২৬ এর জন্য সময়সীমা শেষ হচ্ছে তারপরদিন বৃহস্পতিবার বিকাল ৩ টা পর্যন্ত।
চট্টগ্রাম কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, টেন্ডারসেল ৯/২০২৬ এ নিলামে তোলা ১০৯ লটে কন্টেনার রয়েছে ১৫২টি। এরমধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরণের ক্যাপিটেল মেশিনারিজ, বিভিন্ন ধরণের ফেব্রিক্স, পিভিসি ফ্লেক্স ব্যানার, বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, এসির যন্ত্রাংশ, টাইলস, স্টেইনলেস স্টিল কয়েল, স্ক্যানার, ব্যাডমিন্টন র্যাকেট, এলিভেটর, লবনসহ অন্যান্য পণ্য। অন্যদিকে টেন্ডারসেল ১০/২০২৬ এ নিলামে তোলা ১০১ লটে কন্টেনার রয়েছে ২৯০টি। এসব কন্টেনারে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, যন্ত্রপাতি–যন্ত্রাংশ, প্লাস্টিক ওয়েস্টেজ (স্ক্র্যাপ), চেস্ট ফ্রিজার, পাইপ, বিভিন্ন ধরণের সুতা, বিভিন্ন ধরণের কাপড়, সোলার মডিউল, বিভিন্ন ধরণের লবণ, কাগজ, টাইলস, গৃহস্থলী পণ্য ও ৮৬টি পুরনো খালি কন্টেনার। এসব পণ্যের পণ্যের সংরক্ষিত মূল্য ধরেনি কাস্টমস। তবে চট্টগ্রাম কাস্টমস এসব পণ্যের জন্য সংরক্ষিত মূল্য নির্ধারণ করেনি। চট্টগ্রাম কাস্টমসের কর্মকর্তারা জানান, নিলাম কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। বাংলাদেশ কাস্টমসের ই–অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে ঘরে বসেই অনলাইনে বিড করার সুযোগ থাকছে। প্রস্তাবিত দরমূল্যের নূন্যতম ১০ শতাংশ জামানতের স্ক্যান কপি আপলোড করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট মূল কাগজপত্র দাখিল করতে হবে। সর্বোচ্চ দরদাতাগণকে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১–২০২৪ এর প্রযোজ্য শর্ত পরিপালন সাপেক্ষে পণ্যসমূহ খালাস গ্রহণ করতে হবে।
জানতে চাইলে চট্টগ্রাম কাস্টমসের সহকারী কমিশনার শরীফ মোহাম্মদ আল আমিন দৈনিক আজাদীকে বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের জট নিরসনে অখালাসকৃত পণ্য নিয়মিত নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়া নিলাম অযোগ্য পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় এবার দুই টেন্ডারসেলে ৪৪২ কন্টেনার পণ্য নিলামে তোলা হয়েছে।











