চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে প্রায় এক সপ্তাহ মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে না ফেরার দেশে চলে গেছেন বোয়ালখালীতে লবণ কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ শ্রমিক মাহমুদুল হক (৪০)। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে চমেক হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত মাহমুদুল হক পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের গোরনখাইন এলাকার বাসিন্দা। এ নিয়ে এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৫ জন।
এর আগে ১৬ জুলাই সকাল ১০টার দিকে বোয়ালখালী পৌরসভার পশ্চিম গোমদন্ডী এলাকায় কনফিডেন্স সল্ট কোম্পানির কারখানায় আগুন লাগে। এ ঘটনায় ১০ জন আহত হন, তাদের মধ্যে গুরুতর দগ্ধ ৫ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) ভর্তি করা হয়। আর তিনজনকে ঢাকা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। চমেকে ভর্তি হওয়া পাঁচজনের সবারই মৃত্যু হয়েছে।
চমেক হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, দুর্ঘটনার দিন রাতে গুরুতর দগ্ধ মোহাম্মদ নুরুল আলম (৪৫) ও দিদারুল আলম (৩২) মারা যান। ১৯ জুলাই মারা যান রাঙ্গুনিয়ার পোমরা এলাকার উজ্জ্বল দাশ (৫৩) এবং বোয়ালখালীর গোমদন্ডী এলাকার নুর নবী (২৫)। সর্বশেষ গতকাল মারা যান মাহমুদুল হক।
চমেক হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সহকারী রেজিস্ট্রার রাশেদ উল ইসলাম জানান, বোয়ালখালী লবণ কারখানায় বিস্ফোরণে দগ্ধ শ্রমিক মাহমুদুল হকের শরীরের ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ পুড়ে যায়। গুরুতর অবস্থায় তাকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছিল। প্রায় এক সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি মারা যান।












