দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৮৯৮ জন। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ জন মারা গেছে। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৮১ জন। গতকাল শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত তথ্য থেকে এসব জানা গেছে।
চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট ৩৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে চলতি অক্টোবর মাসেই প্রাণ গেছে ১৩২ জনের। আর এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২১ হাজার ৬৯৯ জনে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শনিবারের বুলেটিনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালগুলোতে ১৫৯ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালগুলোতে ৩৪১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। দুই সিটির বাইরে ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৮১ জন। এছাড়া বরিশালে ২৫২, চট্টগ্রামে ২৩২, খুলনায় ৩৫৯, ময়মনসিংহে ৭৫, রাজশাহীতে ১৪১, রংপুরে ৫১ ও সিলেটে সাতজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। খবর বিডিনিউজের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ২২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ১১৮ জন। আর নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছেন ১০৪ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শনিবারের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে দুজন করে এবং ময়মনসিংহ বিভাগে একজন মারা গেছেন। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৫০১ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এরপর সিলেট বিভাগে ১৯৯, চট্টগ্রামে ১০৫, রাজশাহীতে ৯৩, ময়মনসিংহে ৮৭, বরিশালে ৬৫, খুলনায় ৫১ ও রংপুর বিভাগে ১৭ জন মারা গেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ১ হাজার ১৪ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। এ সময়ে ৫১ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৮১ জন। তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২৮৪, চট্টগ্রামে ২২৪, সিলেটে ১২৫, বরিশালে ৯১, খুলনায় ৭০, ময়মনসিংহে ৪৯, রংপুরে ২৬ ও রাজশাহীতে ১২ জন রয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৯৫ হাজার ৫১৪ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৫ জন।











