বাঁশখালী জলকদর খালের ভরাট হয়ে যাওয়া খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এমপি। গতকাল সোমবার উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারের লক্ষ্যে দেশব্যাপী নদী–নালা ও খাল পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে খানখানাবাদ ও বাহারচড়া ইউনিয়নের পুলিশ ফাঁড়ির সংলগ্ন জলকদর খাল এলাকার প্রায় সাড়ে ২.৪ কিলোমিটার দীর্ঘ জলকদর খাল পুনঃখননের মাধ্যমে তিনি কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জলাধার সংরক্ষণ, পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রবিউল হক, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শরীফ মোহাম্মদ রুবেল,খানখানাবাদের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুস সবুর চৌধুরী, উপজেলা মোহাম্মদ লোকমান, আমিনুর রহমান চৌধুরী, রেজাউল হক চৌধুরী, জি.এম সাইফুল ইসলাম, চেয়ারম্যান কেএম সালাহ উদ্দীন কামাল, রেজাউল করিম চৌধুরী, ইউনুস, শহিদুল ইসলাম সিকদার প্রমুখ। এই প্রকল্পের আওতায় খানখানাবাদ ১১ শত মিটার, বাহারছড়ায় ১১শত মিটার ও সাধনপুরে ৩শত মিটার খালখনন করা হবে। এ ব্যয় ধরা হয়েছে ৬১ লক্ষ ৮৩ হাজার ৯৩৪ টাকা।এ কার্যক্রম বাস্তবায় হলে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী জলকদর খালের ভরাট হয়ে ফসসি জমি সহ ও বিভিন্ন ভিটা বাড়িতে যে ক্ষতি সাধন হচ্ছে তা কিছুটা হলে ও রেহাই পাবে বলে উল্লেখ করেন বক্তারা। উল্লেখ্য, বাঁশখালীর উত্তরে পুকুরিয়া,সাধনপুর হয়ে খানখানাবাদ,বাহারছড়া ,সরল, কাথরিয়া, শেখেরখীল , পুইছড়ি হয়ে খালটি ছনুয়ার দক্ষিণ প্রান্তে গিয়ে বঙ্গোপসাগরের সাথে মিলিত হয়েছে। এ সময়ে বাঁশখালীর জনগনের নৌকা যোগে যাতায়াত এবং মালামাল পরিবহনের একমাত্র যোগাযোগ ব্যবস্থা হলেও এ জলকদর খালটি ভরাট ও দখল হয়ে যাওয়াতে ভোগান্তিতে পড়ে সাধারন জনগন। সেটা থেকে উত্তরণের জন্য বর্তমান সরকারের দেশব্যাপী নদী–নালা ও খাল পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় কর্তৃক এ প্রকল্প গ্রহন করেছে। ধারাবাহিক ভাবে এ খালটি পুরো সংস্কার ও খনন করা হবে বলে সূত্রে জানা যায়।













