নগরীর জনতা ব্যাংক শেখ মুজিব রোড করপোরেট শাখার সাড়ে ৩ কোটি টাকা আত্মসাতের দায়ে ব্যাংকটির সাবেক ৫ কর্মকর্তাকে ৮ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে ৪৬ লাখ টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে আরো ১ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গতকাল চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমান খানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন– জনতা ব্যাংক শেখ মুজিব রোড করপোরেট শাখার সাবেক কর্মকর্তা মো. আবু তৈয়ব, বাবুল চন্দ্র মজুমদার, রনেন্দ্র বিকাশ সাহা, মোসলেম উদ্দিন ও জনতা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সাবেক এসপিও (আইডি রিকন) মো. সাঈদ হোসেন। রায় ঘোষণার সময় এদের কেউ আদালতের কাঠগড়ায় হাজির ছিলেন না। তারা পলাতক। এ জন্য তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা ইস্যু করা হয়েছে।
দুদক পিপি মো. এনামুল ইসলাম দৈনিক আজাদীকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে বিচারক এ রায় ঘোষণা করেছেন। রায়ে ৫ জনকে পৃথক তিনটি ধারায় মোট ৮ বছর করে কারাদণ্ড, ৪৬ লাখ টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে আরো ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আনীত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় নুরুল হুদা নামের এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। তিনিও নগরীর জনতা ব্যাংক শেখ মুজিব রোড কর্পোরেট শাখার সাবেক কর্মকর্তা। এছাড়া আবু বকর সিদ্দিকী নামে অপর এক আসামির বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।
আদালত সূত্র জানায়, ১৯৯৯ সালের সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০০০ সালের ২৯ মার্চ পর্যন্ত সময়ে নগরীর জনতা ব্যাংক শেখ মুজিব রোড কর্পোরেট শাখার ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৮১ হাজার টাকা আত্মসাতের ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় ২০০০ সালের ৬ এপ্রিল জনতা ব্যাংক শেখ মুজিব রোড করপোরেট শাখার তৎকালীন ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. আবুল কাসেম মিয়া নগরীর ডবলমুরিং থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ১৪ জুন চার্জশিট দাখিল হলে ২০১৩ সালের ৬ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন বিচারক।














