চট্টগ্রামের স্বনামধন্য হালদা এবং উপজেলা হাটহাজারী

বুধবার , ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ at ৮:৩৮ পূর্বাহ্ণ
99

ছোটবেলা থেকে আমরা হালদা নদীতে মাছের পোনা অবমুক্তকরণের মধ্যে দিয়ে মাছের চাষ এবং মাছের রেণুর চাষ দেখছি। যাহা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার নদীসমূহের মধ্যে মাছের চাষের (রেণু সম্বলিত মাছ চাষের) ক্ষেত্র এখন এই হালদা নদী।
সুজলা, সুফলা, শস্য শ্যামলা নদীমাতৃক দেশ আমাদের এই প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সীমাহীন প্রচেষ্টার প্রাপ্তি স্বাধীন বাংলাদেশ এবং এই প্রিয় দেশের ভূমিতে তাঁর সুযোগ্য কন্যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি, বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবিচলিত অধ্যবসায় ও পরিশ্রমের ফসল বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সকল সেক্টরে উচ্চ পর্যায়ে স্থান পেয়েছে। সেই প্রচেষ্টার একটি প্রাপ্তি আমাদের হালদা নদী অর্থাৎ চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার হালদা নদী। বর্তমানে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অর্থাৎ সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ায় মাছের রেণু উৎপাদনের শ্রেষ্ঠ ক্ষেত্র বা প্রাকৃতিকভাবে প্রাপ্ত সৌন্দর্যময় উপযুক্ত স্থান।
পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ কেবল দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ হিসাবে পরিচিত হয় নাই, শস্য ফলাবার উর্বর মাটি সম্পন্ন দেশ এবং মৎস্য চাষের উৎকৃষ্ট স্থান বা মাছের রেণুর প্রয়োজনীয় একটি সর্বদিকের উৎকৃষ্ট পানিবাহিত স্থান হিসাবে পরিচয় লাভ করেছে।
বর্তমান সাংসদ ও তৎকালীন পানি, সেচ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ মন্ত্রীর বদৌলতে হাটহাজারীর হালদা নদী বিশ্বের নিকট সুুপরিচিত হয় আন্তর্জাতিকভাবে মাছের পোনা উৎপাদনের ক্ষেত্র বা স্থান হিসাবে। উপরন্তু সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী মহোদয়গণের উদ্যোগে আমাদের প্রিয় হাটহাজারী উপজেলার হালদা ফ্লিম বিশ্বের আপামর জনসাধারণের নিকট আমাদের প্রিয় চট্টগ্রামকে অর্থাৎ আমাদের সমগ্র মাতৃভূমি বাংলাদেশকে সুখ্যাতির সহিত পরিচিত করেছে। আমরা সমগ্র হাটহাজারীবাসী তথা চট্টগ্রামবাসীই কেবল নহে সমগ্র বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণ বা নাগরিক এই অভূতপূর্ব উন্নয়নের জন্য আনন্দিত, উজ্জীবিত ও গর্বিত।
– আক্তারুণ নেসা বেগম এডভোকেট, অতিরিক্ত পি.পি. মহানগর চট্টগ্রাম।

x