গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি সফল করতে মহানগরীতে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার জিইসিতে খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভাপতির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারের কোনো টালবাহানা জনগণ মেনে নেবে না। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, গণবিরোধী অবস্থান থেকে সরে এসে অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা আহ্বান করতে হবে এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
তিনি বলেন, সরকারি দলের নেতাদের সিন্ডিকেটের কারণে দেশে জ্বালানি সংকট ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে আসছে না। পাশাপাশি চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও সন্ত্রাস এখনো বন্ধ হয়নি বলেও উল্লেখ করেন। এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তারও সমালোচনা করেন।
নজরুল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মীদের ওপর ছাত্রদলের সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত হামলার ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা আর না ঘটে সে জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। তিনি অবিলম্বে হামলাকারীরা সকল সন্ত্রাসীদেরকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১১ দলের সমন্বয়ক মুহাম্মদ উল্লাহ এবং খেলাফত মজলিস মহানগরীর সেক্রেটারি রিদওয়ানুল ওয়াহেদের যৌথ সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন এমদাদ উল্লাহ সোহাইল, জিয়াউল হোসাইন, অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, মীর মুহাম্মদ শোয়াইব, আবু মোজাফফর মোহাম্মদ আনাস, আতিক বিন ওসমান, সৈয়দ গিয়াসউদ্দিন আলম, অ্যাডভোকেট গোলাম ফারুক, অ্যাডভোকেট আব্দুল মোতালেব, আলা উদ্দীন আলী, অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী, আবু তাহের তুরাবি, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম চৌধুরী, জাফর আহমদ চৌধুরী, আনোয়ার হোসেন রব্বানী, অ্যাডভোকেট আবুল কাসেম, অ্যাডভোকেট শেখ জুবায়ের মাহমুদ, মুমিনুল হক, মুহাম্মদ জাকারিয়া, মোহাম্মদ জাহেদ হোসেন, মুহাম্মদ হারুন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, আগামী ২৫ এপ্রিল বিকাল ৫টায় চট্টগ্রাম জমিয়তুল ফালাহ জামে মসজিদ মোড়ে কেন্দ্র ঘোষিত বিক্ষোভ ও মিছিল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।














