নগরীতে মোটরসাইকেল চোর চক্রের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক দুই দফা অভিযান চালিয়ে ১৪টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় চোর চক্রের সক্রিয় দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চোর চক্রের অন্যতম সদস্য মো. ইমরান হোসেনকে (২৮) গত ১৭ অক্টোবর মীরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ থানার গফিনাথ পুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার মোঃ ইমরান হোসেন জোরারগঞ্জ থানার গফিনাথপুর গ্রামের লালমিয়া বাড়ির মৃত–সফিউল আলমের পুত্র। বর্তমানে সে পাহাড়তলী থানার ওসানভিউ আবাসিক হোটেল, ৪২০ কক্ষে থাকে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গতকাল সোমবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) এই তথ্য জানায়। পুলিশ জানায়, এর আগে গত ১২ অক্টোবর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতোয়ালী থানাধীন সিআরবি কাঠের বাংলো এলাকা থেকে মোটরসাইকেল চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য মো. সুমন (৩০)-কে গ্রেফতার করেছিল। তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোরচক্রের আরও চার সদস্যসহ মোট ৬টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় কোতোয়ালী থানায় মামলা করা হয়। কোতোয়ালী থানা পুলিশ জানায়, মামলায় গ্রেপ্তার আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৭ অক্টোবর আরও দুটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। এ সময় চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য ইমরান হোসেনকে (২৮) গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও চারটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে পুলিশ। এছাড়া নোয়াখালীর চরজব্বর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি গ্ল্যামার ১১৫ সিসি মোটরসাইকেল এবং মীরসরাই থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি বাজাজ পালসার ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে এসব অভিযানে ১৪টি মোটরসাইকেল উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।












