ন্যূনতম মজুরির দাবিতে শ্রমিক অসন্তোষের প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কারখানা চালু রাখতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি জননিরাপত্তা ঠিক রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন সংশ্লিষ্টদের। গতকাল রোববার রাতে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রায় দেড় ঘণ্টার এ বৈঠক শেষে সরকারপ্রধানের এ নির্দেশনার কথা তুলে ধরেন শ্রম ও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী কী বলেছেন জানতে চাইলে শ্রমমন্ত্রী বলেন, উনি বলেছেন যে কলকারখানা–শিল্পকারখানা যেন সঠিকভাবে চলে, জনগণের জানমালের যেন নিরাপত্তা থাকে, আমরা সকলে যেন সজাগ থাকি। এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলেছেন। খবর বিডিনিউজের।
রাজধানীর মিরপুর, সাভারের আশুলিয়া ও গাজীপুরে কালিয়াকৈরে দিনভর শ্রমিক অসন্তোষের প্রেক্ষাপটে সন্ধ্যায় জরুরি এ বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের নিয়ে বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।
বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, বিএনপির শ্রমিক সংগঠন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস প্রমুখ।
এর আগে দুপুর ১টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। এ সময় পোশাকশিল্পে চলমান শ্রমিক অসন্তোষ ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন তিনি। শ্রমিকদের আন্দোলনের মধ্যে নিজের সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর বাতিল করেছেন শ্রমমন্ত্রী। গতকাল সকালে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা দেন।










