প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট–কংগ্রেসের দুই কক্ষেই ডেমোক্র্যাটরা জয় পাওয়ায় ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির বাকি সময়টায় কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে থাকছে। তবে ট্রাম্প বলেছেন ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করার মত ‘অনেক, অনেক বিষয়’ রয়েছে। প্রয়োজন হলে নিজের ‘ভেটো ক্ষমতা’ ব্যবহার করবেন।
মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের পেছনে ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানির বাড়তি দামের ভূমিকা ছিল বলেও স্বীকার করেছেন ট্রাম্প। ফঙ নিউজকে তিনি বলেন, জ্বালানির দাম রিপাবলিকান পার্টির ক্ষতি করেছে। জ্বালানির জন্য বেশি অর্থ খরচ করতে হওয়ায় মানুষ ‘খুশি ছিল না’। একটি বড় নির্বাচনি জরিপেও দেখা গেছে, ভোটারদের কাছে অর্থনীতি ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
নিউ ইয়র্ক টাইমসকে ট্রাম্প বলেন, তিনি নির্বাচনের ফল মেনে নিতে প্রস্তুত। তবে ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণকে তিনি ‘খুবই বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত’ বলে বর্ণনা করেন। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্ট এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বারবার বলেছেন, ব্যালটে তার নাম থাকলে রিপাবলিকানরাই জয়ী হতেন। নিউ ইয়র্ক টাইমসকে তিনি বলেন, ‘আমি প্রার্থী ছিলাম না। আর আমি প্রার্থী না থাকায় আমরা পর্যাপ্ত মানুষকে ভোট দিতে আনতে পারিনি।’
এদিকে ইরানে যুদ্ধে জড়ানোর কারণেই যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানরা হেরে গেছেন বলে মনে করেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। পরাজয়ের প্রতিক্রিয়া জানাতে বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এঙে ৬১৭ শব্দের একটি পোস্ট দিয়েছেন এই রিপাবলিকান। এতে তিনি লেখেন, ‘যুদ্ধের কারণেই আমরা হেরেছি।’











